TRICK VAULT | A Vault Of Tricks

Translate Site

Sunday, September 19, 2021

Google Maps / গুগল ম্যাপস এর চমৎকার ১২টি ফিচার।

অপরিচিত স্থানে গেলে কমবেশি আমরা সবাই পথ চিনতে গুগল ম্যাপস অ্যাপ ব্যবহার করে থাকি। গুগল এর অন্যান্য সার্ভিস এর মত গুগল ম্যাপেও রয়েছে অসংখ্য অসাধারণ ফিচার। গুগল নিয়মিত গুগল ম্যাপে অগমেন্টেড রিয়েলিটির মত নতুন সব ফিচার যোগ করেই চলেছে। চলুন জেনে নেয়া যাক, গুগল ম্যাপের চমৎকার কিছু ফিচার সম্পর্কে যা দৈনন্দিন জীবনে কাজে আসবে।

"top 12 google maps features"

অফলাইন ম্যাপ

আমরা যারা বাসায় ওয়াইফাই ব্যবহার করি, এবং মোবাইল ডেটা চালাইনা, তাদের জন্য বাইরে গেলে গুগল ম্যাপ অকাজের মনে হতে পারে। কেননা গুগল ম্যাপ ব্যাবহার ইন্টারনেট কানেকশন থাকা লাগে। তবে আপনি চাইলে গুগল ম্যাপ এর নির্দিষ্ট এলাকা ব্যবহারের সুবিধার্থে অফলাইনে সেভ করে রাখতে পারবেন। ফিচারটি হচ্ছে গুগল ম্যাপস অফলাইন।

প্রথমে যে স্থানের ম্যাপ অফলাইনে সেভ করতে চান, সে স্থানটি গুগল ম্যাপে খুঁজে বের করুন। ধরুন, আমরা ঢাকা শহরের একটা নির্দিষ্ট অংশের গুগল ম্যাপ অফলাইনে সেভ করতে চাই। সে ক্ষেত্রে ঢাকা শহরের সেই নির্দিষ্ট অংশ গুগল ম্যাপে খুঁজে নিয়ে থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করার পর Download Offline Map এ ক্লিক করলে ঢাকার ঐ নির্দিষ্ট অংশের অফলাইন ম্যাপ আপনার ফোনে সেভ হয়ে যাবে। পরে আপনার মোবাইলে ডেটা না থাকলেও আপনি জিপিএস এর মাধ্যমে ইন্টারনেট ছাড়াই গুগল ম্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন।

টাইমলাইন

আমাদের স্মার্টফোনটি পকেটে রেখেই আমরা কতো না জায়গায় ঘুরতে যাই। মজার ব্যাপার হলো জিপিএস এবং ম্যাপস চালু রেখে আমাদের যাওয়া যেকোনো জায়গার হিসাব গুগল ম্যাপ এর টাইমলাইন সেভ করা থাকে। এই ফিচারটি ব্যবহার করতে গুগল ম্যাপে প্রবেশ করে মেনু থেকে Your Timeline এ ট্যাপ করলেই আপনার লোকেশন টাইমলাইন দেখতে পাবেন।

লোকেশন শেয়ারিং

গুগল ম্যাপের সবচেয়ে মজার ফিচার হলো লোকেশন শেয়ারিং ফিচারটি। এই ফিচারটি ব্যাবহার করে খুব সহজেই কারো সাথে অপরিচিত স্থানে দেখা করা সম্ভব। এছাড়াও এই ফিচার ড্রাইভিং বা হাঁটার সময়ও কাজ করে। আপনি যদি লোকেশন শেয়ারিং করেন, তবে যে ব্যক্তির সাথে লোকেশন শেয়ার করবেন, তিনি আপনার রিয়েল টাইম লোকেশন দেখতে পাবেন।

গুগল ম্যাপ এর মাধ্যমে লোকেশন শেয়ার করতে গুগল ম্যাপের মেনু থেকে Location Sharing অপশনে প্রবেশ করুন। এরপর Share location এ ক্লিক করুন। এরকম কতক্ষন এর জন্য লোকেশন শেয়ার করতে চান, সেটি সিলেক্ট করে লিংকটি যার সাথে লোকেশন শেয়ার করতে চান তাকে পাঠিয়ে দিন। উক্ত ব্যক্তি লিংকে ক্লিক করলে আপনার রিয়েল টাইম লোকেশন দেখতে পাবে।

ট্রাফিক

গুগল ম্যাপ ব্যাবহার করে আপনার আশেপাশের বর্তমান ও সম্ভাব্য ট্রাফিক সম্পর্কে জানতে পারেন খুব সহজেই। এই ফিচারটি যেকোনো সময় চালু করতে স্ক্রিনের ডানদিকে থাকা স্ট্যাক আইকনে ক্লিক করে Traffic সিলেক্ট করলেই হবে।

গুগল ম্যাপ হিস্ট্রি

আপনি জানেন কি, আপনি চাইলেই গুগল ম্যাপ এর হিস্ট্রি দেখার পাশাপাশি ডিলেট ও করতে পারবেন? মূলত myactivity.google.com এ আপনার গুগল সার্ভিস ব্যাবহার করে করা সকল একটিভিটি সেভ করা থাকে। এই লিংকে প্রবেশ করে Location History তে ক্লিক করুন। এখন থেকে Turn Off সিলেক্ট করলে আবার আপনার লোকেশন সময়ের সাথে সেভ করা বন্ধ হয়ে যাবে।

এছাড়াও myactivity.google.com এ প্রবেশ করে Filter by date & product এ করে maps সিলেক্ট করলে আপনার সকল গুগল ম্যাপস একটিভিটি দেখতে পাবেন। এরপর Delete এ ক্লিক করে জমা থাকা আপনার গুগল ম্যাপ হিস্টোরি মুছেও ফেলতে পারবেন।

ফেভারিট

গুগল ম্যাপে আপনার যাওয়া সেরা জায়গাটি কিংবা যে জায়গাতে ভবিষ্যতে যেতে চান, তা এড করে রাখতে পারেন। এছাড়াও এই তথ্য শেয়ার করতে পারবেন আপনার পরিবার বা বন্ধুদের সাথেও। কোনো স্থান ফেভারিট হিসেবে এড করতে উক্ত স্থান গুগল ম্যাপে খুঁজে বের করে Save এ ক্লিক করুন। এরপর উক্ত স্থানকে পছন্দের তালিকায় এড করতে Favorites, যেতে চান এমন স্থানের তালিকায় যুক্ত করতে Want to go এবং ব্যক্তিগতভাবে সেভ রাখতে Starred Places এ ক্লিক করে done চাপুন। এছাড়াও new list এ ক্লিক করে নতুন শিরোনামে নতুন স্থানের তালিকায় তৈরি করার সুবিধা রয়েছে।

মিউজিক

ড্রাইভিং এর সময় যদি আপনি ম্যাপ দেখার পাশাপাশি গান বা পডকাস্ট শুনতে পছন্দ করেন, সেক্ষেত্রে ম্যাপ আর গান/অডিও শোনার অ্যাপ আলাদাভাবে কন্ট্রোল করতে হবেনা। স্পটিফাই বা অ্যাপল মিউজিক এর মাধ্যমে গুগল ম্যাপের মধ্যেই গান বা অডিও শোনার সুবিধা রয়েছে।

গুগল ম্যাপের চমৎকার ১২টি ফিচার

এই ফিচারটি চালু করতে গুগল ম্যাপ অ্যাপের সেটিংসে প্রবেশ করুন। এরপর “Navigation Settings” এ প্রবেশ করুন। “Show media playback controls” এ ক্লিক করে কাংখিত মিউজিক স্ট্রিমিং অ্যাপ সিলেক্ট করুন। এরপর থেকে প্রতিবার গুগল ম্যাপের ন্যাভিগেশন ফিচার অন করার পর Music Playback Controls/Show media playback controls লেখা দেখতে পাবেন, যাতে ক্লিক করে পপ-আপ মেন্যুর মাধ্যমে আপনার বেছে নেওয়া স্ট্রিমিং অ্যাপ থেকে গান/অডিও শুনতে পারবেন।

ইনকগনিটো

গুগল ক্রোম এর কোনো অ্যাক্টিভিটি আমাদের গুগল অ্যাকাউন্টে যোগ হওয়া থেকে এড়ানোর জন্য আমরা যেমন ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করে থাকি, ঠিক তেমনি গুগল ম্যাপে ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করার ফিচার রয়েছে। গুগল ম্যাপে ইনকগনিটো মোড ব্যবহার করতে আপনার প্রোফাইল পিকচার এ ট্যাপ করে গুগল ম্যাপের মেনু ওপেন করুন। এরপর মেনু থেকে “Turn on incognito mode” অপশনটি সিলেক্ট করলে ইনকগনিটো চালু হয়ে যাবে।

ভেহিকল আইকন

গুগল ম্যাপে আমরা যখন কোন নেভিগশন চালু করি, তখন একটি নীল অ্যারো দেখানো হয়। তবে মজার ব্যাপার হলো আপনার এই নিল অ্যারোটি ব্যবহারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকার প্রয়োজন নেই। চাইলেই এই নীল অ্যারোতে ক্লিক করে অন্যান্য ভেহিকল অপশন সিলেক্ট করতে পারবেন।

google map vehicle

স্টপস

ধরুন আপনি এক জায়গা থেকে গাড়ি করে অন্য জায়গায় যাবেন। তবে যাত্রাপথে কিছু স্থানে আপনার থামতে হবে। গুগল ম্যাপে আপনার গন্তব্যের ঠিকানা সেট করার পর কিন্তু আপনি চাইলে খুব সহজেই যাত্রাপথে কোথায় থামতে কোন, সেটি আগে থেকেই মার্ক করে রাখতে পারেন।

গুগল ম্যাপের চমৎকার ফিচার

স্টপস ফিচারটি ব্যাবহার করতে প্রথমে গুগল ম্যাপে প্রবেশ করে আপনার স্টার্টিং পয়েন্ট ও গন্তব্য সিলেক্ট করুন। এরপর থ্রি ডট মেন্যুতে ক্লিক করলে আরেকটি মেন্যুতে দেখতে পাবেন যেখান থেকে “Add Stop” সিলেক্ট করুন। এরপর যেকোনো স্থানে সিলেক্ট করলে সেটিই আপনার স্টপস হিসাবে যুক্ত হয়ে যাবে।

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট

গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট সবচেয়ে বেশি কাজে আসতে পারে গাড়ি চালানোর সময় যখন গুগল ম্যাপ ব্যবহার করবেন তখন। গাড়ি চালানো অবস্থায় গুগল ম্যাপ যখন চালু থাকে তখন “ওকে, গুগল” বলার মাধ্যমে যেকোনো ভয়েস কমান্ড ব্যবহার করা যাবে।

যেমন গাড়ি চালানো অবস্থায় গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে পরবর্তী বাঁক সম্পর্কে “Where’s my next turn?” বলে জিজ্ঞেস করতে পারেন। আবার আসন্ন রাস্তার ট্রাফিক সম্পর্কে জানতে “How’s traffic ahead?” বলে গুগল অ্যাসিস্ট্যান্টকে জিজ্ঞেস করতে পারবেন। “find the nearest gas station” এর মত কমান্ড ব্যাবহার করে আপনার ফুয়েল ফুরিয়ে যাওয়ার আগেই প্ল্যান করে রাখতে পারেন।

পার্কিং

যাদের গাড়ি আছে, তাদের জন্য কোনো স্থানে গিয়ে গাড়ি পার্কিং করার জায়গা খোঁজা একটি ঝামেলার কাজ বটে। তবে গুগল ম্যাপ এইক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে। আপনি যে স্থানে যাবেন, তা গুগল ম্যাপে সার্চ করলেই উক্ত স্থানের পার্কিং সুবিধার পাশাপাশি অনেক তথ্য সম্পর্কে জানতে পারবেন।

এছাড়াও কোনো পার্কিং জোনে কার পার্ক করার পর গুগল ম্যাপে প্রবেশ করে ব্লু ডট এ ক্লিক করলে একটি মেন্যু দেখতে পাবেন। সেখান থেকে “Set as parking location” এ ক্লিক করলে আপনি যে স্থানে কার পার্ক করেছেন সে স্থান থেকে আপনার কার খুঁজে নিতে পারবেন খুব সহজেই।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন। 
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। 

Saturday, September 18, 2021

কিভাবে উইন্ডোজ কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিসেট করবেন?

আজ আমরা জানবো কিভাবে উইন্ডোজ কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিসেট করবেন? How to reset your computer or laptop?

ল্যাপটপ রিস্টোর (laptop restore) করার এই প্রক্রিয়া আপনারা যেকোনো desktop computer (PC) এর ক্ষেত্রেও ব্যবহার করতে পারবেন।

এমনিতে যেকোনো android, Windows বা iPhone মোবাইল আমরা সহজেই রিসেট করতে পারি এবং সে বিষয়ে প্রত্যেকেই জানেন।

কিন্তু আজকের আর্টিকেলে বলা tricks এবং tips এর মাধ্যমে আপনারা একটি মোবাইলের মতোই নিজের উইন্ডোজ কম্পিউটার রিসেট করে নিতে পারবেন।

আজকাল প্রত্যেকের কাছেই ইন্টারনেট রয়েছে এবং বেশিরভাগ কাজ আমরা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটারে করে থাকি।

এক্ষেত্রে, যদি কোনো কারণের ফলে আপনার কম্পিউটার স্লো হয়ে গেছে, ভাইরাস আক্রমণ করেছে বা অন্যান্য যেকোনো কারণ যার ফলে আপনি আবার নতুন করে ল্যাপটপে উইন্ডোজ ইনস্টল করতে চাইছেন বা ফ্ল্যাশ করতে চাইছেন, তাহলে এতো কষ্ট আপনার করতে হবেনা।

এছাড়া, অনেক সময় আমরা এই সাধারণ সমস্যা গুলোর জন্য ল্যাপটপটি একজন প্রযুক্তিবিদ (technician) এর কাছে নিয়ে যাই।

আর সে, এই একি Windows computer reset এর প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে  আপনার থেকে কমেও ৫০০ টাকা আদায় করে নেয়।

তাই, আপনি যদি উইন্ডোজ কম্পিউটার রিসেট করার প্রক্রিয়াটি নিজেই জেনে রাখেন, তাহলে এই ৫০০ টি টাকা আপনার বাঁচবে।

কম্পিউটার অনেক স্লো কাজ করছে, ল্যাপটপের ব্যাটারী হিট হচ্ছে বা কোনো একটি সফটওয়্যার রিমুভ করতে পারছেননা, প্রত্যেক ক্ষেত্রে আপনি system reset করে এর লাভ নিতে পারবেন।

এভাবে ল্যাপটপ রিসেট করার পর আপনি সেটাকে সম্পূর্ণ নতুন এর মতো বানিয়ে দিতে পারবেন এবং এর ফলে পারফরমেন্স ফাস্ট হয়ে থাকবে।

এছাড়া, update, security এবং installation এর সাথে জড়িত প্রত্যেকটি সমস্যা ঠিক হয়ে যাবে।

চলুন, নিচে আমরা Windows 10 PC reset করার সহজ নিয়ম গুলো জেনেনেই।

মনে রাখবেন, নিচে দেওয়া প্রক্রিয়া গুলো ব্যবহার করে আপনি আপনার লেপ্টপন কেবল তখনি রিসেট করতে পারবেন যদি আপনার ল্যাপটপে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করা আছে।

কারণ, নিচে বলা কম্পিউটার রিসেট এর নিয়ম কেবল Windows 10 Laptops / PC গুলোর জন্য উপলব্ধ রয়েছে।

যদি আপনার কাছে একটি Windows ১০ laptop বা PC রয়েছে তাহলে আপনি নিচে দেওয়া steps গুলো follow করে কম্পিউটার রিসেট করতে পারবেন।

একবার laptop বা computer reset করার পর আপনার system থেকে সম্পূর্ণ data গুলো remove হয়ে যাবে।

আর তাই, রিসেট করার পর আপনার কম্পিউটার অনেক দ্রুত ভাবে কাজ করতে শুরু করবে, একেবারে নতুন ল্যাপটপ এর মতো।

যদি আপনি নিজের উইন্ডোজ কম্পিউটার রিসেট করতে চলেছেন, তাহলে কোনো কথা নেই।

তবে, যদি উইন্ডোজ ১০ ল্যাপটপ রিসেট করার কথা ভাবছেন, তাহলে দেখে নিবেন যাতে আপনার ল্যাপটপে ভালো করে চার্জ দেওয়া থাকে।

কেননা, রিসেট হওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে যদি পাওয়ার চলে যায় তাহলে আপনার উইন্ডোজ ফাইল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।

স্টেপ ১.

সব থেকে আগে আপনাকে start icon এর মধ্যে click করতে হবে এবং এর পরে settings option এর মধ্যে click করতে হবে।

স্টেপ ২.


এবার আপনারা একেবারে নিচে updates & security নামের একটি option দেখতে পাবেন যেখানে click করতে হবে।

স্টেপ ৩. 

Updates & security অপশনে click করার পর এবার আপনারা প্রচুর options গুলো দেখতে পাবেন।

 

এবার সরাসরি বাম দিকে থাকা “Recovery” অপশনে ক্লিক করুন এবং তারপর দান দিকের থেকে Reset this PC লেখাটির নিচে থাকা “Get Started” এর বাটন এর মধ্যে click করুন।

স্টেপ ৪. 


শেষে, আপনাদের কাছে দুটো আলাদা আলাদা options থাকছে যেগুলোর থেকে যেকোনো একটি সিলেক্ট করতে হবে।

  1. Keep my files
  2. Remove everything
  • যদি আপনি personal files গুলোর বাদে কেবল প্রত্যেক Software & Setting গুলোকে reset বা remove করতে চাইছেন তাহলে Keep my files এর option এর মধ্যে click করুন।
  • যদি আপনি আপনার ল্যাপটপ সম্পূর্ণ ভাবে reset করে প্রত্যেকটি files, software, settings, updates ইত্যাদি সবটা রিসেট করতে চাইছেন, তাহলে আপনাকে Remove everything এর অপশনে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ ৫.

এবার কিছুক্ষন পরেই যদি আপনার কম্পিউটারে একাধিক drive থেকে থাকে তাহলে আপনাকে আরো একটি প্রশ্ন করা হবে।

Do you want to remove all files from all drive ?”, মানে আপনি কি চাইছেন আপনার প্রত্যেকটি drive থেকে প্রত্যেক file ডিলিট করে দেওয়া হোক ?

এর জন্য আপনাকে দুটো option দেওয়া হবে।

  1. Only the drive where windows is installed (কেবল C drive থেকে ফাইল রিমুভ যেখানে windows install করা আছে)
  2. All drives (প্রত্যেকটি ড্রাইভ থেকে ফাইল রিমুভ)

আপনি ১ নম্বর অপসন সিলেক্ট করে নিন।

স্টেপ ৬.

এখন আবার নতুন করে আরেকটি প্রশ্ন করা হবে, “Do you want to clean the drives, too ?”

মানে, আপনি চাইছেন যে আপনার drive থেকে file delete করার সাথে সাথে সেটাকে clean করে দেওয়া হোক ?

  • Just remove my files (কেবল ফাইল ডিলিট করার জন্য)
  • Remove files and clean the drive (ফাইল ডিলিট করার সাথে সাথে ড্রাইভ ক্লিন করা হবে)

আপনি দ্বিতীয় অপসন সিলেক্ট করে নিন, কারণ আমরা আমাদের সিস্টেমের মূল ড্রাইভ টি সম্পূর্ণ পরিষ্কার করতে চলেছি।

স্টেপ ৭.

এবার কিছুক্ষন লোড হওয়ার পর শেষ বারের জন্য আপনাকে “Ready to reset this PC” সহ একটি box দেখানো হবে।

এখানে বলা থাকবে যে ল্যাপটপ রিসেট করলে কি কি রিমুভ হবে।

  1. প্রত্যেক পার্সোনাল ফাইল এবং ইউসার একাউন্ট গুলো রিমুভ হবে।
  2. প্রত্যেক apps এবং programs গুলো remove হবে।
  3. Settings এর মধ্যে করা পরিবর্তন গুলো।

শেষে নিচে থাকা “Reset” বাটনে click করে দিন।

স্টেপ ৮.

এখন আপনার কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিসেট প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে এবং এর জন্য কিছুটা সময় অবশই লাগবে।

প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে যাওয়ার পর, আপনার কম্পিউটার restart হবে এবং সিস্টেম ব্যবহার করার আগে আপনাকে কিছু জরুরি তথ্য গুলো দিয়ে নিজের মাইক্রোসফট একাউন্টে আবার নতুন করে লগইন করতে হবে।

মানে, একটি নতুন ল্যাপটপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্রথম বারের জন্য ব্যবহার করার আগে যা যা তথ্য দিতে হয় সেগুলোই আপনাকে আবার দিতে হবে।

এবার ল্যাপটপ ব্যবহার করে আপনার অনুভন যে আপনার ল্যাপটপ টি যেন একেবারেই নতুন।

ল্যাপটপের স্পিড, পারফরমেন্স এবং স্টোরেজ অধিক থাকবে।

উইন্ডোজ কম্পিউটার রিসেট করে কি লাভ হবে ?

এমনিতে আমরা প্রত্যেকেই এক না এক সময় আমাদের মোবাইল রিসেট করেই থাকি।

আর তাই, যদি আপনিও কোনো সময় নিজের mobile phone reset করেছেন তাহলে অবশই বুঝতে পেরেছেন যে রিসেট করে কি লাভ হবে।

তবে যদি আপনি কম্পিউটার রিসেট করার লাভ বা সুবিধার বিষয়ে জানেননা, তাহলে নিচে সেবিষয়ে বলা আছে।

  • Reset করার ফলে আপনার কম্পিউটারের settings এবং system files গুলো আবার নতুনের মতো হয়ে যাবে।
  • এই প্রক্রিয়ার ফলে Windows format করার মতোই সবটা হয়ে যাবে তবে এক্ষেত্রে আলাদা করে Windows flash বা install করতে হয়না।
  • যদি কোনো Windows update বা software এর জন্য কোনো অসুবিধা পাচ্ছেন, তাহলে system reset করে তার সমাধান করতে পারবেন।
  • অনেক সময় আমাদের কম্পিউটারে প্রচুর ভাইরাস গুলো প্রবেশ করে থাকে। এবং এক্ষেত্রে আপনাকে নতুন করে উইন্ডোজ ফ্ল্যাশ এবং ইনস্টল করতে হয়। তবে ওপরে বলা প্রক্রিয়া ব্যবহার করলে Windows format না করেই virus remove করা সম্ভব।
  • যদি আপনার ল্যাপটপ স্লো হয়ে গেছে এবং হ্যাং করছে, তাহলে রিসেট এর মাধ্যমে কম্পিউটারের fast করে Performance ভালো করা সম্ভব।

আমাদের শেষ কথা,

আশা করছি উইন্ডোজ ল্যাপটপ রিসেট করার নিয়ম আপনারা সম্পূর্ণ স্পষ্ট ভাবে বুঝতেই পেরেছেন।

এবার থেকে যদি আপনার উইন্ডোজ ১০ কম্পিউটারে কোনো ধরণের সমস্যা হয়ে থাকে তাহলে নতুন করে উইন্ডোজ ইনস্টল করার প্রয়োজন হবেনা।

কেবল কিছু মিনিটের মধ্যে যেকোনো সমস্যা ঠিক করে নিতে পারবেন উইন্ডোজ এর রিসেট অপসন ব্যবহার করে।

আমাদের আজকের আর্টিকেল, কিভাবে উইন্ডোজ কম্পিউটার বা ল্যাপটপ রিসেট করবেন? How to reset your computer or laptop?

Friday, September 17, 2021

মোবাইল স্লো হওয়ার ৭টি কারণ।

আমরা যখন একটা ফোন নতুন একটি স্মার্ট কিনে আনি তখন দেখা যায় ফোনটার পারফরম্যান্স বেশ ভালো থাকে এবং ফোনটা খুব ফাস্ট থাকে। কিন্তু কিছু দিন যেতে না যেতেই দেখা যায় ফোনটা স্লো হয়ে যাচ্ছে। আজকে মোবাইল স্লো হওয়ার ৭টি কারণ। "7 reasons for slow mobile"

 

আমরা সবাই মোটামুটি দেখে শুনেই একটা স্মার্ট ফোন কিনি। কিন্তু কয়েক ব্যবহার করার পরে দেখা যায় নতুন ফোন হিসেবে তেমন পারফরম্যান্স করছে না। তখন আমাদের মনে হয় দূর এই কোম্পানির ফোন মনে হয় ভালো না। কিন্তু একটা কোম্পানি যখন তাদের ফোন বাজারে দেয় তখন ফোনের জিনিসপত্র খুব বুঝে শুনে দেখে বাজারে দেয়। আর আমরা বিভিন্ন ধরনের Customize করার চেষ্টা করি, আর এতে করে ফোনের পারফরম্যান্স তো বাড়েই না আর স্লো হয়ে যায় আবার কোন কোন ক্ষেত্রে দেখা যায় হ্যাং করে।

এখন আমি একটা একটা করে ৭টি পয়েন্ট বলব, যেগুলো করা বন্ধ করে দিলে আপনার ফোন আরও ফাস্ট হয়ে যাবে। এর মধ্যে অনেকে কিছু পয়েন্ট জানেন, আবার কিছু সময় দেখা যায় এগুলো যেনেও এই কাজ গুলোকে গুরুত্ব দেন না।

১. SD Card ব্যবহার করা

SD Card, হ্যা বন্ধুরা আপনারা ঠিক শুনেছেন। আপনি যদি SD card ব্যবহার করা বন্ধ করে দেন তাহলে আপিনার ফোন অনেক ফাস্ট হবে। এটা শুনতে অন্যরকম মনে হলেও এটা যদি আমি একটু খুলে বলি যে যখন আপনার ফোনের Internal storage থেকে আপনার ফোনের প্রসেসর কোন Data বা File আদান প্রদান করে তখন কিন্তু প্রসেসর সময় অনেক কম লাগে এককথায় প্রসেসর এর উপরে চাপ পড়ে না। অন্যদিকে SD Card থেকে যখন কোন কিছু আদান প্রদান করে তখন কিন্তু প্রসেসর এর অনেক সময় লাগে এককথায় প্রসেসর এর উপরে কিছু চাপ সৃষ্টি হয়।

কারন মোবাইলের Internal Storage কিন্তু অনেক ফাস্ট, আর অন্যদিকে আপনি যতই দামি আর ভালো মানের SD Card ব্যবহার করেন না কেন সেটা কিন্তু Internal Storage থেকে অনেক স্লো। আর আপনি যদি কম দামি SD Card ব্যবহার করেন তাহলে কিন্তু আপনার ফোনের SD Card অনেক আপনার মোবাইলের পারফরম্যান্স অনেক কমিয়ে দেবে। আর কিছু কিছু দামি ফোনে দেখবেন Internal Storage কিন্তু অনেক বেশি দেওয়া থাকে। আর আই-ফোনে SD Card ব্যবহার করার কোন সুযোগ নেই। তাহলে বন্ধুরা SD Card এর ব্যাপারে আমি একটাই বলব আপনি যে কোম্পানির ফোন কিনেন না কেন ফোনের Internal storage একটু বেশি দেখে কিনবেন, তাহলে SD Card এর ঝামেলা আর থাকবে না।

২. Storage ফুল রাখা

এই পয়েন্টও Storage এর মধ্য পরে। আমাদের মধ্যে কিছু মানুষ মোবাইলের Storage ফুল করে নেই। এখন এটার জন্য ছোট্ট একটা উদাহরণ দেই, মনে করেন আপনার আলমারি, পড়ার টেবিল বা অন্য কিছুতে ৪টা ড্রায়ার আছে। এই ড্রায়ার গুলো যদি আপনি কোন কিছু দিয়ে ভরে ফেলেন তখন কিন্তু কাজের সময় কোন একটা জিনিস খুজতে অনেক সময় লাগবে। কিন্তু এই ৪টি ড্রায়ারে আপনি যদি অল্প অল্প করে কোন জিনিস রাখেন তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই যেকোন জিনিস খুঁজে নিতে পারবেন খুব সহজেই। আর এই কাজটি করলে আপনার সময় ক্ষতি হবে না।

বন্ধুরা Storage ফুল করে রাখার ব্যাপারটা অনেকটা এরকম। মনে করেন আপনার ফোনের storage 32 GB। এখন যদি এখান থেকে 30 GB ভরে ফেলেন তাহলে আপনার ফোনের প্রসেসর কোন কিছু খোঁজে নিতে অনেক্ষন লাগবে সে ক্ষেত্রে আপনার ফোন অনেক স্লো কাজ করবে। সবচেয়ে ভালো যদি আপনি আপনার ফোনের ২৫% ফ্রি রাখতে পারেন মঅনে করেন আপনার ফোনের Storage 32 GB এখানে যদি আপনি 8 GB ফ্রি রাখতে পারেন তাহলে অনেকটা ভালো হয়। আপনি চেষ্টা করবেন যতটা পারেন খালি রাখার জন্য।

৩. Battery Saving Mode অন রাখা

Battery Saving Mode বা Power Saving Mode, এখন এই Battery Saving mode বা Power Saving Mode যদি আপনি আপনার ফোনে অন করে রাখেন তাহলে আপনি আপনার ফোনের চার্জিং বেক আপ পাবেন এতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু আপনি আপনার ফোনের চার্জিং সেভ রাখার জন্য আপনার ফোনের পারফরম্যান্স একটু Down করে দিচ্ছেন। আপনি Battery Saving বা Power Saving অন করে রাখলে কখনই আপনি ফোনের পুরো পারফরম্যান্স পাবেন না।

আবার এই Battery Saving Mode বা Power Saving Mode অন রেখে যদি আপনি গেমস খেলেন তাহলে আপনার ফোন হ্যাংও করতে পারে। এখন প্রশ্ন আসতে পারে তাহলে কি Battery Saving Mode বা Power Saving Mode ব্যবহার করব না? অবশ্যই করবেন, যখন আপনি দূরে কোথাও যাচ্ছে সেখানে চার্জ দেওয়া সম্ভব না কিন্তু আপনার ফোন অন থাকাটা জরুরি সেখানে আপনি Battery Saving Mode বা Power Saving Mode অন রাখতে পারেন। কিন্তু তাতে আপনার ফোনের পারফরম্যান্স অনেকটা কমে যাবে, তখন আপনাকে বুঝতে হবে আপনার ফোনের পারফরম্যান্স দরকার নাকি চার্জিং বেক আপ দরকার।

৪. Launcher App ব্যবহার করা

আমরা অনেকেই Launcher App এই টাইপের কিছু অ্যাপস ব্যবহার করে থাকি। এই অ্যাপস গুলো সাইজে তেমন বড় হয় না, আর তাই আমাদের মনে হয় এই অ্যাপস গুলো আমাদের ফোনে তেমন একটা চাপ দিচ্ছে না। কিন্তু সত্যি হলো অন্যরকম এই অ্যাপস গুলো আপনার ফোনের সব জায়গায় নাগ গলায়। আপনি আপনার ফোনে যা করছেন যে অ্যাপস ওপেন করছেন তাতেও কাজ করছে এই অ্যাপস। আর এটা করতে গিয়ে এই অ্যাপস গুলো আপনার ফোনের প্রসেসর কে যেমন Busy রাখে আর RAM এর বেশি জায়গা ব্যবহার করে সবসময়। যাদের ফোনে RAM কম আছে তাদের ফোন স্লো কাজ করে সাথে হ্যাং ও করতে পারে। তাহলে বন্ধুরা ফোনের পারফরম্যান্স ভালো রাখতে এই অ্যাপস গুলো থেকে বিরত থাকুন।

৫. অপ্রয়োজনীয় Apps Install করা

এখন এই পয়েন্টে যে কথা বলব সেটা আসলে ৪ নাম্বার পয়েন্টের মতোই অনেকটা। আমরা আমাদের ফোন সুন্দর রাখার জন্য অনেক ধরনের অ্যাপস ও Font ডাউনলোড করে থাকি। আর যাদের ফোনের RAM কম তাদের ফোন স্লো কাজ করবে সাথে কিছু কিছু ক্ষেত্রে হ্যাংও করতে পারে। আমরা যখন নতুন একটা ফোন কিনে আনি তখন কিন্তু বেশি অ্যাপস ইন্সটল করা থাকে না। কিন্তু ফোন কিনার পরে কিছু দিনের মধ্যে আমরা বিভিন্ন কাজে বিভিন্ন ধরনের অ্যাপস ডাউনলোড ও ইন্সটল করে থাকি।

৬. অপ্রয়োজনীয় Apps Uninstall না করা

কিন্তু আমরা সব গুলো অ্যাপস ব্যবহার করি না, প্রতিদিন হয়ত ৪-৫ টি অ্যাপস ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে। আর যে অ্যাপস গুলো আপনার ফোনে ইন্সটল করা কিন্তু ব্যবহার করা পড়ছে না সেগুলো আপনি হয়ত বলছে থাক Uninstall করার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আপনার ভাবনা ভুল কারন ওই অ্যাপস গুলো আপনি ব্যবহার করেন আর নাই করেন সেগুলো কিন্তু সবসময় Run করতে থাকে। একটা জিনিস যদি Run হতে থাকে তাহলে তো প্রসেসর RAM Busy থাকবেই, আর সে ক্ষেত্রে আপনার ফোন স্লো কাজ করবে। তাহলে বন্ধুরা যেসব অ্যাপস আপনার ফোনে ইন্সটল করা কিন্তু ব্যবহার করার প্রয়োজন পড়ে না সেগুলো Uninstall করাটাই সবচেয়ে ভালো।

৭. Untrusted সোর্স থেকে App Install করা

গুগল প্লে-স্টোর ছাড়া অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে কোন অ্যাপস ডাউনলোড করলে এর সাথে ম্যালওয়্যার বা ভাইরাস ঢুকার সম্ভাবনা থাকে খুব বেশি। আর এই ম্যালওয়্যার আপনার ফোনের তথ্য চুরি করে। তথ্য চুরি বলতে যে আপনার ফোনের গ্যালারি তে থাকা ছবি বা ভিডিও চুরি করে এরকম কিন্তু না। আপনি কোন কোন ওয়েবসাইটে প্রবেশ করছেন বা মেসেঞ্জারে কি কথা বলছেন। এখন বলতে পারেন এগুলো জেনে কি হবে। বন্ধুরা আপনি যখন অনলাইনে থাকেন তখন কিন্তু এগুলোর উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের ADs দেওয়া হয়। আর এই অ্যাপস গুলো আপনার ফোনে Run করে প্রসেসর ও RAM এর উপর চাপ সৃষ্টি করে।

আশাকরি এই ৭টি জিনিস আপনারা খুব চিন্তা করে মোবাইলে ব্যবহার করবেন। আর এগুলো থেকে সবসময় বিরত থাকবেন। যদিও এগুলো অবহেলিত কিন্তু এই অবহেলিত কাজগুলো থেকে আপনার পছন্দের স্মার্ট ফোন ব্যবহার করতেই ভালো লাগবে না।

এই ছিল আজকের পোস্ট। আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লেগেছে। পোস্টটি ভালো লাগলে এক্ষনি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন।
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।

 

কিভাবে পুরাতন এবং স্লো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি আবার ফাস্ট করবেন?

আপনাদের মধ্যে অনেকেই মোবাইল স্লো হওয়ার সমস্যায় ভুগছেন! কিন্তু ফোন কেন স্লো হচ্ছে সেটা জানতে হবে, আর এই সমস্যা থেকে কীভাবে নিষ্কৃতি পাওয়া যায়। প্রায় সময় নতুন ফোন কেনার কিছু সময় পরেই সেটি স্লো হতে শুরু করে। অ্যানড্রয়েড ফোন বা মোবাইল স্লো হলে কি করব এমন টেনশনে অনেকেই আছেন নিশ্চয়? আজ আমরা জানবো কিভাবে পুরাতন এবং স্লো অ্যান্ড্রয়েড ফোনটি আবার ফাস্ট করবেন? "how to speed up old or slow android phone?"

স্মার্ট ফোন কেনার পর পরেই শুরু হয়ে যায় স্মার্ট ফোনটির উপর চরম নির্যাতন। ফলে মাস ছয়েক যেতে না যেতেই সবার একটা কমন নালিশ যে, কিভাবে মোবাইল ফাস্ট করা যায়? বা মোবাইল স্লো হলে ফাস্ট করার উপায়। 

১। মেমোরি ফাঁকা করা

মোবাইল স্লো হওয়ার কারণঃ আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনটিতে প্রয়োজনে কিংবা অপ্রয়োজনে প্রচুর অ্যাপস, ভিডিও, অডিও, ফাইল রাখেন। আপনার যেগুলোর প্রয়োজন নেই সেগুলো ডিলিট করে কিংবা ক্লিয়ার ক্যাশ করে মেমোরি ফাঁকা করতে পারেন এতে আপনার ফোনে স্পিড পাবেন। আপনি দেখে নিতে পারেন কোন গুলো বেশি মেমোরি দখল করে রেখেছে। এই জন্য আপনি প্রথমে সেটিংস>স্টোরেজে যান। এখন দেখুন কোন গুলো বেশি মেমোরি দখল করে রেখেছে। মোবাইল স্লো হলে কি করবেন? এখন নিশ্চয় আরো একটা উত্তর পেয়েছেন?

২। অপ্রয়োজনীয় অ্যাপস আনইন্সটল করা

মোবাইল স্লো হওয়ার কারণঃ এটা খুব প্রাথমিক আর সহজ উপায় আপনার অ্যান্ড্রয়েডকে ফাস্ট করে তোলার। আমরা অনেক সময় এমন অনেক অ্যাপ অযথা ইন্সটল করে রাখি বা কিছু কিছু রয়েছে অল্প সময়ের কাজের জন্য ইন্সটল করে থাকি যা পরে আর প্রয়োজন থাকে না। যেসব অ্যাপ আপনার কোন কাজে আসে না বা ভবিষ্যতেও কাজে আসবে না সেগুলো আনইন্সটল করে দিন। আপনি আপনার অপ্রয়োজনীয় এপস এর আইকনটি চেপে ধরে রাখলেই উপরে দেখতে পাবেন আনইন্সটল অপশন। এছাড়াও আপনি চাইলে সেটিংস>এপস এ গিয়ে আন ইন্সটল করতে পারেন। কিংবা ডিজেবল করে রাখতে পারেন ভারী কিন্তু তাৎক্ষণিক প্রয়োজন নেই এমন অ্যাপ। মোবাইল স্লো হলে কি করব? এখন নিশ্চয় একটা উত্তর পেয়েছেন?

৩। ফোনে ফাস্ট মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করুন

সাধারণ ও সস্তার এসডি কার্ড ফোনের স্পিডকে কম করে দেয়। আমাদের উচিত সস্তার এসডি কার্ড বদলে একটি ভাল কোম্পানির ফাস্ট মাইক্রো এসডি কার্ড ব্যবহার করা। ইন্টারনাল স্টোরেজ থেকে ফোটো ও ভিডিও সরিয়ে ক্লাউড বা গুগল ফোটোজে সেভ রাখা যেতে পারে। এছাড়া হোম স্ক্রিনেও অপ্রয়োজনীয় ডিটেল থাকে, যা পরিস্কার করলেও ফোনের স্পিড ফাস্ট হয়ে যেতে পারে।

৪। ফোন আপডেট না থাকা

ফোন স্লো হওয়ার আরেক কারন হল ফোন আপডেট না থাকা। স্মার্টফোন সব সময় আপডেটেড অপরেটিং সিস্টম (OS) ব্যাবহার করা উচিত। ফোনের সেটিং অপশনে গিয়ে দেখে নেওয়া যায় ফোনে নতুন কোনো আপডেট আছে কিনা। ফোন আপডেট থাকলে স্লো হওয়ার সমস্যা থাকে না।

অনেক সময় সামান্য কাজ করতে না করতেই হঠাৎ হ্যাং হয়ে যাচ্ছে। এমন দুঃখ জনক সমস্যা গুলো শান্তিতে আপনার স্লো অ্যান্ড্রয়েড উপভোগ করতে দিচ্ছে না। ফলে অনেকেই ফোন রিস্টার্ট দেন বার বার কিংবা রিস্টোর করেন। কিন্তু আপনি যদি একটু বুদ্ধি করে কাজ করেন তাহলে আপনার এই সমস্যা অনেকাংশেই সমাধান হবে। আজ আমি আপনাদের ৭ টি উপায় জানাব যেগুলো করলে আপনি আপনার স্লো অ্যান্ড্রয়েডকে আগের মতই ফাস্ট পাবেন। তাহলে চলুন জেনে নিই;

৫। গেজেট রিমুভ

মোবাইল স্লো হওয়ার কারণঃ আমরা স্মার্ট ফোনটিকে সাজাতে বিভিন্ন গেজেট ব্যবহার করে থাকি। মাত্রারিক্ত গেজেট আপনার অ্যান্ড্রয়েডকে স্লো করে দেয়। তাই প্রয়োজনের বেশি গেজেট যেমন ডাবল ক্লক, টেম্পারেচার মিটার, ওয়েদার বক্স, গেম বক্স ইত্যাদি আপনার ফ্রন্ট প্যানেল থেকে রিমুভ করে ফেলুন। মোবাইল স্লো হলে যা করতে হবে, এখন নিশ্চয় আরো একটা উত্তর পেয়েছেন?

৬। পাওয়ার হাংগার অ্যাপ ডিজেবল

মোবাইল স্লো হওয়ার কারণঃ অনেক অ্যাপ রয়েছে যেগুলো প্রচুর ব্যাটারি পাওয়ার ব্যবহার করে। আর ব্যাটারি পাওয়ার বাড়ানো একটি কারণ ফোনের স্পিড আপের। তাই আপনি সেটিংসে গিয়ে ব্যাটারিতে যান। এখন দেখুন কোন গুলো বেশি ব্যাটারি পাওয়ার ব্যবহার করছে। যেগুলো অপ্রয়োজনীয় সেগুলো ডিজেবল করে দিন। এটা মোবাইল ফাস্ট রাখার কার্যকরী উপায়।

৭। এনিমেশন মোড অফ

মোবাইল স্লো হলে কি করবঃ এটা বেশ কাজে দেয় আপনার অ্যান্ড্রয়েডকে ফাস্ট করেত। এই জন্য আপনাকে সেটিংসে যেতে হবে। তারপর about phone এ যান। এখন বিল্ড নাম্বারে ৭ বার প্রেস করুন। আপনি দেখতে পাবেন আপনাকে একজন ডেভলপার বলে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। এখন আপনি আবার মেইন সেটিংসে ফিরে আসুন আর ডেভলপার অপশনে প্রেস করে ভেতরে প্রবেশ করুন এবং সেই সাথে খুজে বের করুন animation scale অপশন। ৩টি অপশন পাবেন এই ক্ষেত্রে। 

সব গুলো অফ করে দিন। এখন দেখবেন আপনার ফোনটি আগের চেয়ে বেশ স্মুথ হয়েছে। তবে আপনার ফোনটি যদি সুপার স্লো না হয়ে থাকে তাহলে এটি অফ করার দরকার নেই।

৮। ডাটা সেভ মুড

মোবাইল স্লো হলে কি করবঃ আপনার অ্যান্ড্রয়েডে গুগল ক্রোম থাকলে আপনি ব্রাউজারের সেটিংসে যান। এখন দেখুন ডাটা সেভার নামের একটি অপশন রয়েছে। আপনি এই অপশনটিতে প্রবেশ করে চালু করে দিন। আপনি তাৎক্ষণিক দেখতে পারবেন আপনার ফোনের কি পরিমান ডাটা সেভ হচ্ছে। এতে আপনার অনলাইনে পেজ লোড করার স্পিড বাড়বে। এটা মোবাইল স্লো হলে ফাস্ট করার দারুন উপায়।

৯। অ্যাকাউন্ট সিঙ্ক বন্ধ করা

মোবাইল স্লো হলে কি করবঃ আপনি আপনার অপ্রয়োজনীয় অনলাইন অ্যাকাউন্ট গুলোর সিঙ্ক বন্ধ করে নিতে পারেন। এই জন্য আপনাকে সেটিংসে গিয়ে অ্যাকাউন্টে যেতে হবে। তারপর দেখুন যে কোন কোন অ্যাকাউন্ট গুলো আপনার কোন প্রয়োজন নেই। তারপর সেই অ্যাকাউন্টটিতে প্রেস করে সিঙ্ক বন্ধ করে দিন।

এই উপায় গুলো ব্যবহার করেও যদি আপনার ফোন ফাস্ট না হয় তাহলে রিস্টার্ট দিন। এরপরেও ফাস্ট না হলে ফ্যাক্টরি রিসেট করুন। আর অবশ্যই এই কাজটি করার সময় ব্যাকআপ রাখুন আপনার মেমোরির সকল ডাটার। 

১০। ফোন রিসেট করতে থাকা উচিত

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে, চার মাসের মধ্যে ফোন একবার রিসেট করতে থাকা দরকার। অ্যাপের ক্যাশ ক্লিয়ার করলে সেটিংসের স্টোরেজ অপশনে গিয়ে পুরানো ডেটা ডিলিট করা যেতে পারে।

আপনাদের যদি এই পোস্ট টি কোন কাজে আসে তাহলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন কিংবা কোন জানার থাকলে বা জানানোর থাকলে কমেন্টে জানাবেন। আর হ্যাঁ, আপনাদের অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাপস গুলো নিয়মিত আপ টু ডেট রাখেন।

 

প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের মতে 

  • চার মাসের মধ্যে ফোন একবার রিসেট করতে থাকা দরকার।
  • Mobile phone-এর স্টোরেজ ফুল থাকলে ফোন স্লো হওয়ার সমস্যা হয়। 
  • স্মার্টফোন কে সব সময় আপডেট রাখুন, ফোনের সেটিং গিয়ে চেক করুন আপডেট।

 

বন্ধুরা এই ছিল আজকের পোস্ট। আশা করি পোস্টটি আপনাদের কাছে অনেক ভালো লেগেছে। পোস্টটি ভালো লাগলে এক্ষনি বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে দিন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন।
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।

নতুন আইফোন ১৩- তে যা থাকছে, দাম কত হবে?

প্রযুক্তি পণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অ্যাপল তার নতুন মডেলের স্মার্টফোন আইফোন ১৩-এর ঘোষণা দিয়েছে, যেটিতে 'পোরট্রেট মোড'-এ ভিডিও করা যাবে, যাতে থাকবে 'ডেপথ অব ফিল্ড' ইফেক্ট।

"features and price of iphone 13"


নতুন এই 'সিনেমাটিক মোড' ক্যামেরার ফ্রেমে চলে আসা কোন ব্যক্তিকে আগেভাগেই শনাক্ত করতে পারবে এবং ফোকাস পরিবর্তিত হয়ে সেই ব্যক্তির ওপর চলে যাবে। 

অ্যাপলের প্রধান টিম কুক বলেন, এটাই একমাত্র স্মার্টফোন যেটি ভিডিও ধারণের পরও ইফেক্ট সম্পাদনা করার সুযোগ দেবে ব্যবহারকারীকে।

তবে, নতুন এই ফোনে আর যেসব ফিচার রয়েছে তার সবই প্রায় আগের আইফোন ১২ মডেলের মতোই। ফিচারগুলোতে স্রেফ কিছু আপডেট যোগ করা হয়েছে।

নতুন মডেলের ফোন উন্মোচনের অনুষ্ঠানটি এমন সময় হল যখন অ্যাপল পণ্যে নতুন এক নিরাপত্তা ত্রুটির খবর নিয়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে।

সোমবারই অ্যাপল একটি নতুন 'সিকিউরিটি প্যাচ' অবমুক্ত করেছে যাতে এর আগে অজানা এই ত্রুটিটি সারানো যায়।

এই ত্রুটির কারণে হ্যাকাররা অতি সহজেই ব্যবহারকারীর আইমেসেজ সার্ভিসে ঢুকে পড়তে পারবে বলে আশঙ্কা।

নতুন ফিচার

নতুন আইফোনে রয়েছে অপেক্ষাকৃত দ্রুত গতির এ১৫ চিপ এবং উজ্জলতর ডিসপ্লে। পূর্ববর্তী মডেলগুলোর চাইতে এর ব্যাটারি স্থায়িত্বও আড়াই ঘণ্টা বেশি হবে।

নতুন মডেলটি পাওয়া যাবে গোলাপি, নীল, 'মিডলাইট স্টারলাইট' এবং লাল রঙে।

নতুন আইফোনে সর্বোচ্চ ৫০০ গিগাবাইট স্টোরেজের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া সর্বনিম্ন স্টোরেজের পরিমাণও থাকবে ১২৮ গিগাবাইট, যা এর আগে ছিল ৬৪ গিগাবাইট।

অ্যাপল দাবি করছে নতুন আইফোনের অনেক কিছু পরিবেশবান্ধব উপাদান দিয়ে তৈরি করা হয়েছে - যেমন অ্যাপলের ভাষ্যমতে ফোনটির অ্যান্টেনা লাইন প্লাস্টিকের পানির বোতল থেকে তৈরি করা হয়েছে। 

নতুন এই আইফোন এমন সময় বাজারে আসতে যাচ্ছে যখন অনেক ব্যবহারকারী বহুদিন ধরে তাদের পুরনো ফোন আপগ্রেড করছেন না। বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ওয়েডবুশ সিকিউরিটিজের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, প্রায় ২৫ কোটি আইফোন ব্যবহারকারী গত সাড়ে তিন বছর ধরে তাদের আইফোন আপগ্রেড করেননি।

নতুন মডেলে আইফোন ১২ এর মত ফাইভ জি সংযোগের সুযোগ রয়েছে।

আইফোন ১৩ এর পাশাপাশি অ্যাপল ১৩ মিনি, প্রো এবং প্রো ম্যাক্স নামে আইফোনের আরো তিনটি নতুন মডেলেও ঘোষণা দিয়েছে।

আইফোন ১৩ প্রো এবং প্রো ম্যাক্সে তিনটি করে ক্যামেরা রয়েছে। অ্যাপল এই ক্যামেরা সিস্টেমকে বলছে 'আইফোনের সবচেয়ে উন্নত ক্যামেরা সিস্টেম।'

আইফোন ১৩ মিনির দাম যুক্তরাজ্যে ৬৭৯ পাউন্ড, টাকায় যার মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ৮০ হাজার টাকা।

এছাড়া আইফোন ১৩ এর দাম ৭৭৯ পাউন্ড, আইফোন ১৩ প্রো এর দাম ৯৪৯ পাউন্ড এবং অপেক্ষাকৃত বড় আইফোন ১৩ প্রো ম্যাক্সের দাম ১০৪৯ পাউন্ড। বাংলাদেশি টাকায় রূপান্তর করলে যার দাম দাঁড়ায় যথাক্রমে প্রায় ৯২ হাজার, ১ লাখ ১২ হাজার ও ১ লাখ ২৪ হাজার টাকা (প্রায়)। 

অ্যাপল ওয়াচ সিরিজ ৭

আইফোনের পাশাপাশি অ্যাপলের হাতে পরার ঘড়ি অ্যাপল ওয়াচেরও নতুন মডেল বাজারে আনার ঘোষণা দিয়েছে।

২০১৮ সালের পর সিরিজ ৭ এই প্রথমবার অ্যাপল ওয়াচ নতুন করে ডিজাইন করা হয়েছে। এই ঘড়িটি আকারে আগের ঘড়ির চেয়ে অপেক্ষাকৃত বড়।

আগের চেয়ে আকারে কিছুটা বড় হওয়ায় এই ঘড়ির স্ক্রিনে আগের চেয়ে প্রায় ৫০ শতাংশ বেশি টেক্সট দেখা যায়। এছাড়া টেক্সট লেখার জন্য এটিতে একটি কিবোর্ডও রয়েছে।

এছাড়া এই প্রথমবারের মত এটি ডাস্ট রেসিস্ট্যান্স বা ধুলা প্রতিরোধক করা হয়েছে।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন। 
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। 

Instagram / ইন্সটাগ্রাম ইউজারদের জন্য কয়েকটি টিপস অ্যান্ড ট্রিকস।

বর্তমানে অন্যতম জনপ্রিয় একটি সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ইন্সটাগ্রাম। বিশেষ করে বর্তমানে ফটো শেয়ারিং সোশ্যাল মিডিয়াগুলোর মধ্যে ইনস্টাগ্রামের প্রতিদ্বন্দ্বী আর কেউই নেই। বর্তমানে যারা ফেসবুক ব্যাবহার করেন তারা প্রায় সবাই ইনস্টাগ্রামও ব্যাবহার করেন। যাইহোক, আর ভূমিকা না করে সরাসরি মেইন টপিকে চলে যাই। আজকে ইনস্টাগ্রাম ইউজারদের জন্য কয়েকটি টিপস এবং ট্রিকস শেয়ার করতে চলেছি যেগুলো আপনার ইনস্টাগ্রাম ব্রাউজিং এবং ওভারঅল এক্সপেরিয়েন্স আরেকটু বেটার করবে বলে আমি মনে করি।


অন্যান্য সোশাল মিডিয়াতে ইনস্টাগ্রামের পোস্ট শেয়ার করা

আমরা অনেকসময়ই ইনস্টাগ্রামের আপলোড করা কোন ছবি সরাসরি একইভাবে ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্টে শেয়ার করতে চাই। এটা ম্যানুয়ালি করার সুযোগ থাকলেও আপনি চাইলে এটা স্বয়ংক্রিয়ভাবেও করতে পারেন। এটা করার জন্য সরাসরি আপনার প্রোফাইল সেটিংসে চলে যান। সেখানে Options মেনুতে ঢুকলে Linked Accounts নামের একটা অপশন দেখতে পাবেন।

এবার এখানে ঢুকেই আপনি ইনস্টাগ্রামের সাথে আপনার ফেসবুক, টুইটার এবং আরো কয়েকটি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট কানেক্ট করে নিতে পারবেন। কানেক্ট করে নেওয়ার পরে আপনি যখনই নতুন কোনো ছবি আপলোড করবেন ইনস্টাগ্রামে, ছবিটি অটোমেটিকালি আপনার কানেক্ট করা অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াগুলোতেও পোস্ট হয়ে যাবে। তবে আপনি যদি কোনো একটি স্পেসিফিক পোস্টের জন্য অটো শেয়ারিং বন্ধ রাখতে চান, সেক্ষেত্রে সেই পোস্টটি পাবলিশ করার আগে অপশন থেকে অটো শেয়ারিং বন্ধ করে দিতে পারবেন।

অ্যাক্টিভ স্ট্যাটাস বন্ধ করা

যারা ফেসবুক এবং হোয়াটসঅ্যাপ ব্যাবহার করেন, তারা হয়তো জানেন যে, এখানে আপনি চাইলেই আপনার অ্যাক্টিভ স্ট্যাটাস বন্ধ রাখতে পারেন যাতে আপনার ফ্রেন্ডরা জানতে না পারে যে কখন আপনি অনলাইন আছেন। কোনো স্পেসিফিক টাইমে কারোর মেসেজ পেতে না চাইলে এটা একটা ভালো উপায়। তবে অনেকেই হয়তো জানেন না যে আপনি ইন্সটাগ্রামেও এটা করতে পারবেন।

যারা ইন্সটাগ্রামের ডিরেক্ট ম্যাসেজ ফিচার ব্যাবহার করে অনেক চ্যাট করেন, তাদেরও অনেক কারণেই অ্যাক্টিভ স্ট্যাটাস বন্ধ করার দরকার হতে পারে। এটা করার জন্যও আপনাকে যেতে হবে একই জায়গায়। আপনার প্রোফাইল সেটিংস থেকে Options মেনুতে চলে যান। এরপর এখানেই দেখতে পাবেন Show Activity Status নামের একটি সুইচ। এই সুইচটি সময়মতো অন অফ করেই আপনি ইন্সটাগ্রামে আপনার অ্যাক্টিভ স্ট্যাটাস প্রয়োজনমতো হাইড করে নিতে পারবেন।

স্টাইলিশ ইন্সটাগ্রাম বায়ো

যারা অনেকদিন ধরে ইন্সটাগ্রাম ব্যাবহার করেন, তারা জানেন যে, ইন্সটাগ্রাম বায়ো হচ্ছে এখানে আপনার ক্রিয়েটিভিটি শো অফ করার সবথেকে উপযুক্ত জায়গা। ইন্সটাগ্রামে আপনার প্রোফাইলকে স্ট্যান্ড আউট করানোর জন্য আপনার বায়ো আপনি কিভাবে সাজাচ্ছেন সেটাই সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট। এই কারণে আপনি অনেক ইন্সটাগ্রাম ইউজারদেরকেই দেখভেন বায়োতে বিভিন্ন স্টাইলিশ ফন্ট ব্যাবহার করতে। যদিও এটা ব্যাক্তিগতভাবে আমার কাছে খুবই বিরক্তিকর লাগে, তবে আপনার কাছে যদি এটা ভালো লাগে এবং আপনি আপনার ইন্সটাগ্রাম বায়োতেও একইধরনের স্টাইলিশ ফন্ট ব্যাবহার করতে চান, তাহলে জেনে নিন কিভাবে করবেন।

ইন্সটাগ্রামের বায়োতে আপনি সরাসরি কিবোর্ড থেকে এভাবে কোনো স্টাইলিশ ফন্ট অ্যাপ্লাই করতে পারবেন না। এর জন্য আপনাকে কোনো একটি থার্ড পার্টি ওয়েবসাইট বা টুল ব্যাবহার করে টেক্সটে স্টাইলিং করে নিতে হবে। LingoJam এমনই একটি ওয়েবসাইট যা আপনাকে ইন্সটাগ্রামের জন্য স্টাইলিশ টেক্সট জেনারেট করে দেবে। আপনাকে জাস্ট এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনার প্লেইন টেক্সটটি ইন্টার করতে হবে, এরপরে নিচে লিস্ট থেকে আপনার পছন্দের স্টাইলটি সিলেক্ট করতে হবে। তাহলেই আপনার প্লেইন টেক্সটটি আপনার পছন্দের ওই স্টাইলিশ টেক্সটে কনভার্ট হয়ে যাবে। এরপর আপনি সহজেই এই টেক্সটটি কপি করে আপনার ইন্সটাগ্রাম বায়োতে পেস্ট করে দিতে পারবেন। আপনি এই স্টাইলিশ টেক্সট জেনারেট করার জন্য কোনো অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপও ব্যাবহার করতে পারবেন চাইলে। তবে আমি অনুরোধ করবো, প্লিজ ইন্সটাগ্রাম বায়োতে আপনার ক্রিয়েটিভিটি এভাবে স্টাইলিশ টেক্সট দিয়ে দেখাবেন না। এটা খুবই বিরক্তিকর!

পোস্ট সেভ করা

ফেসবুকে অনেকসময়ই আমরা কোনো দরকারী পোস্ট, কোনো অ্যাড কিংবা কোনো মজার পোস্ট/মিমস আমাদের প্রোফাইলে পার্সোনাল কালেকশন হিসেবে গ্রুপ করে করে সেভ করে রাখতে পারি, যাতে পরবর্তীতে দরকার হলেই আমরা সেই পোস্টটি খুঁজে পেতে পারি। ইন্সটাগ্রামেও যেকোনো পোস্ট এভাবে নিজের প্রোফাইলে ব্যাক্তিগতভাবে সেভ করে রাখার ব্যাবস্থা আছে, তবে আমরা অনেকেই সেটা জানিনা বা খেয়াল করে দেখিনা। ইন্সটাগ্রামে যেকোনো পোস্ট নিজের কালেকশনে সেভ করে রাখা খুবই সহজ। এর জন্য আপনাকে পোস্টটির নিচে রাইট সাইডে থাকা সেভ আইকনটিতে ক্লিক করতে হবে।

তাহলেই পোস্টটি আপনার কালেকশনে চলে যাবে। আমরা সবাই ইন্সটাগ্রাম পোস্টের নিচে এই আইকনটি লক্ষ্য করেছি, তবে হয়তো অনেকেই জানতাম না যে এই আইকনটির কাজ কি। যাইহোক, এরপরে আপনার সেভ করা পোস্টগুলো খুঁজে পেতে আপনার প্রোফাইলে যেয়ে স্ক্রিনের ওপরে রাইট সাইডে থাকা হ্যামবার্গার মেনুটি ওপেন করুন। এবার এই মেনুর অপশনের মধ্যেই Saved নামের একটি অপশন দেখতে পাবেন। এই Saved অপশনে ক্লিক করলেই আপনার পূর্ববর্তী সব সেভ করা পোস্ট একবারে দেখতে পাবেন এবং এখান থেকেই যেকোনো পোস্ট আপনার কালেকশন থেকে ডিলিট করে দিতে পারবেন।

স্টোরি হাইড করা

ইন্সটাগ্রামের সবথেকে ইম্পর্ট্যান্ট এবং মোস্টলি ইউজড ফিচারগুলোর একটি হচ্ছে স্টোরিস। এখানে মূলত আপনি ২৪ ঘন্টার জন্য যেকোনো ধরনের কন্টেন্ট শেয়ার করতে পারেন। আপনি যদি ইন্সটাগ্রাম ইউজার হয়ে থাকেন, তাহলে আপনাকে আর নতুন করে বলে দেওয়ার দরকার নেই যে স্টোরি কি এবং এটা কিভাবে ব্যাবহার করে। আপনি অবশ্যই জানেন ইন্সটাগ্রাম স্টোরি ফিচারটির ব্যাপারে। যাইহোক, অনেকেই হয়তো জানেন না যে আপনি চাইলে আপনার স্পেসিফিক কোনো একজন বা কয়েকজন ফলোয়ারের থেকে আপনার যেকোনো স্টোরি হাইড করতে পারবেন।

আপনার যেকোনো ফলোয়ারের থেকে আপনার স্টোরি হাইড করার জন্য আপনাকে প্রথমে আপনার সেই ফলোয়ারের প্রোফাইলে যেতে হবে। এবার তার প্রোফাইলে গিয়ে স্ক্রিনের ওপরে রাইট সাইডে থাকা থ্রি ডট মেনু ক্লিক করলে এখানে Hide Your Story নামের একটি অপশন দেখতে পাবেন, এই অপশনটি ক্লিক করলেই আপনার ওই ফলোয়ার আপনার আর কোনো স্টোরি দেখতে পাবে না।

কল টু অ্যাকশন এবং অ্যানালিটিক্স

আপনি যদি বিজনেস পারপাসে আপনার ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টটি ব্যাবহার করেন, তাহলে আপনাকে কিছু লিমিটেশন ফেস করতে হবে। যেমন- আপনি আপনার কোনো পোস্টের ডিটেইলড কোনো অ্যানালিটক্স দেখতে পাবেন না এবং আপনার ইন্সটাগ্রাম প্রোফাইলে ফেসবুক পেজের মতো কোনো কল-টু-অ্যাকশন বাটন যোগ করতে পারবেন না, যা যেকোনো অনলাইন বিজনেসের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। 

তবে আপনি হয়তো জানেন না যে, আপনি খুব সহজেই এসব এক্সট্রা বিজনেস ফিচারস পেতে পারবেন এক ক্লিকেই। এর জন্য আপনার পার্সোনাল অ্যাকাউন্টটিকে আপনি বিজনেস অ্যাকাউন্টে কনভার্ট করে নিতে পারেন এবং তা সম্পুর্ন বিনামূল্যে।

এর জন্য আবার আপনার প্রোফাইল সেটিংসে চলে যান এবং এখানে Options মেনুতে ঢুকলেই Swith to Business নামের একটি অপশন দেখতে পাবেন। এখানে ক্লিক করলেই আপনার অ্যাকাউন্টটি বিজনেস অ্যাকাউন্ট হয়ে যাবে। এর ফলে আপনি বিজনেস রিলেটেড ফিচারস যেমন ডিটেইলড পোস্ট এবং স্টোরি অ্যানালিটিক্স, ইমেইল এবং ফোন কল বাটন ইত্যাদি আপনার প্রোফাইলে সেটাপ করতে পারবেন। এছাড়া ইন্সটাগ্রামে আপনার প্রোডাক্টের অ্যাড দেওয়ার জন্যও আপনার বিজনেস প্রোফাইলের দরকার হবে।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন। 
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন। 

রক্তদানের স্বাস্থ্য উপকারিতা।

রক্তদানের উপকারিতা, গুরুত্ব, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং রক্তদাতার অবদানকে সম্মান জানানোর লক্ষ্যে প্রতিবছর জানুয়ারী মাস জাতীয় রক্তদানের মাস এবং ১৪ই জুন সারা বিশ্বব্যাপী জাতীয় রক্তদান দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। নিয়মিত রক্তদান করলে রক্তদাতার ক্যান্সার এবং হিমোক্রোমাটোসিসের ঝুঁকি কমে যায়। রক্তদান লিভার এবং অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতির ঝুঁকি হ্রাস করে, কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্যের বৃদ্ধি ঘটায় এবং স্থূলতা কমাতে সহায়তা করে। 

"benefits of blood donation"


রক্তদান সারা বিশ্ব জুড়ে প্রতিদিন বহু মানুষের জীবন বাঁচায়। ২০১৯ সালে বাংলাদেশ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক জরিপে দেখা যায় যে, প্রতি বছর আমাদের দেশে প্রায় ১৩ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন পরে। রক্তদান রক্তদাতা এবং গ্রহিতা উভয়ের স্বাস্থ্যের পক্ষে ভাল। 

ঝুঁকি এড়াতে হাসপাতাল, ক্লিনিক বা ব্লাড ব্যাঙ্কে চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের উপস্থিতিতে রক্ত দেওয়া বা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। ট্রান্সফিউশন পরবর্তী যেকোন ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা যেন না হয় এজন্য রক্তদাতাদের রক্তদানের পূর্বে সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করা উচিত। রক্ত দান ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা, রক্তপাতজনিত ব্যাধি, ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী রক্তাল্পতা, সিকেল সেল অ্যানিমিয়া এবং বংশগত রক্ত অস্বাভাবিকতার চিকিৎসায় সহায়তা করে।

মানুষের রক্ত এখন পর্যন্ত কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হয়ে উঠেনি; কাজেই মানুষই এর একমাত্র উৎস এবং সে কারণেই রক্তদান করা এবং যাদের এটি প্রয়োজন তাদের সহায়তা করা উচিত। তাছাড়া ভবিষ্যতে আপনার নিজস্ব প্রয়োজনে নিকটস্থ ব্লাড ব্যঙ্কে রক্ত সঞ্চয় করতে পারবেন। তবে এজন্য আপনার গ্রুপের রক্ত ভাল কোনো ব্লাড ব্যাঙ্কে সংরক্ষণ করা আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়ে নিন। আর অবশ্যই রক্ত নেয়ার আগে রক্ত দাতার ব্লাড প্রেসার বা রক্তের ইনফেকশন জনিত রোগ আছে কিনা তা অভিজ্ঞ ডাক্তারের দ্বারা পরীক্ষা করে নেবেন।  

যারা এইডস এবং হেপাটাইটিস জাতীয় রোগের চিকিৎসায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের কখনই রক্তদান করা উচিত নয়। তাছাড়া যে সকল লোকেরা টিকা গ্রহণ করেছে বা কোনও সার্জারি করেছে অথবা ক্যান্সার, ডায়াবেটিস, সর্দি এবং ফ্লু হয়েছে তাদের রক্তদানের আগে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এছাড়াও গর্ভবতী মহিলাদের রক্ত দেওয়ার আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে ভুলবেন না।

রক্তদানের ৫টি উপকারিতা

রক্তদান কেবলমাত্র গ্রহীতার জীবনকেই সুন্দর করে তোলে না বরং রক্তদাতারও সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। নীচে রক্তদানের স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলো তুলে ধরা হলোঃ

১) রক্তদান হেমোক্রোম্যাটোসিস বা ব্রোঞ্জ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে

রক্তদানের অন্যতম একটি স্বাস্থ্য উপকারিতা হলো এটি হিমোক্রোমাটোসিসের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। হিমোক্রোম্যাটোসিস মানুষের এমন একটি স্বাস্থ্যগত অবস্থা যা শরীরে আয়রনের অতিরিক্ত শোষণের কারণে সৃষ্টি হয়। এটি উত্তরাধিকার সূত্রে,  মদ্যপান, রক্তাল্পতা এবং অন্যান্য অসুস্থতার কারণেও হতে পারে। নিয়মিত রক্তদান শরীরে আয়রনের ওভারলোড কমাতে সহায়তা করে। তবে অবশ্যই রক্তদানের পূর্বে চিকিৎসকের দ্বারা দাতার রক্তদানের যোগ্যতার মানদণ্ড পূরণ করবেন।

২) রক্তদান ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়

রক্তদান মরণব্যাধি ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। রক্তদানের মাধ্যমে দেহের সংরক্ষিত আয়রন স্বাস্থ্যকর স্তরে বজায় থাকে। তাছাড়া দেহে আয়রনের মাত্রা হ্রাসের সঙ্গে ক্যান্সারের ঝুঁকির মাত্রা সংশ্লিষ্ট।

৩) রক্তদান হার্ট ও লিভার সুস্থ রাখে

রক্তদান শরীরে আয়রন ওভারলোডের কারণে হার্ট ও লিভারের অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করতে বেশ উপকারী। আয়রন সমৃদ্ধ ডায়েট গ্রহণের ফলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়তে পারে এবং খুব সীমিত অনুপাতই শোষিত হতে পারে, তাই অতিরিক্ত আয়রন হৃদপিণ্ড, লিভার এবং অগ্ন্যাশয়ের মধ্যে জমা হয় এবং পরবর্তীতে সিরোসিস, যকৃতের দূর্বলতা, অগ্ন্যাশয়ের ক্ষতি এবং অনিয়মিত হার্টের প্রভাবের মতো হার্টের অস্বাভাবিকতার ঝুঁকি বাড়ে। এক্ষেত্রে রক্তদান আয়রনের মাত্রা সঠিক রাখতে এবং অন্যান্য অসুস্থতার ঝুঁকি হ্রাস করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

৪) রক্তদান অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে

নিয়মিত রক্তদান রক্তদাতার ওজন হ্রাস করে। যারা স্থূলকায় এবং কার্ডিওভাসকুলার রোগ এবং অন্যান্য অসুস্থতার ঝুঁকিতে রয়েছেন তাদের পক্ষে এটি খুব সহায়ক। তবে খুব ঘন ঘন রক্তদান করা উচিত নয়। যে কোনো ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যা এড়াতে রক্ত দেওয়ার আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নেবেন।

৫) রক্ত কোষ উৎপাদনে সাহায্য করে

রক্তদানের পরে, শরীর রক্তের ক্ষতি পূরণ করতে কাজ করে। রক্তদান নতুন রক্ত কোষের উৎপাদনে সাহায্য করে এবং পরবর্তীতে সুস্বাস্থ্য বজায় রাখতে সহায়তা করে।

রক্তদান প্রক্রিয়া

রক্তদানের পরিকল্পনা আগে থেকে করা ভাল। স্বাস্থ্য সংক্রান্ত কোনও সমস্যা বা উদ্বেগ থাকলে রক্ত দেওয়ার আগে ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে নিন। রক্তদানের একসপ্তাহ আগে থেকে স্বাস্থ্যকর ডায়েট মেনে চলুন। রক্তদানের দিন, নিশ্চিত হয়ে নিন যে আপনি খুব ভাল হাইড্রেটেড, তাই প্রচুর পরিমাণে তরল পান করতে থাকুন। রক্তদানের প্রক্রিয়া চলাকালীন রক্তদাতার আরামদায়ক পোশাক পরিধান করা উচিত। তাছাড়া আপনি যদি কোনো চিকিৎসা বা ঔষুধ গ্রহণ করতে থাকেন তাহলে যেখানে আপনি রক্তদান করছেন তা ব্লাড ব্যাংক, ক্লিনিক অথবা হাসপাতালে অবহিত করুন।

শেষ কথা

রক্তদান করলে উপকার বৈ ক্ষতি নাই। নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে নিজের শরীরে বড় কোনো ধরনের রোগ যেমন  হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, ম্যালেরিয়া সিফিলিস, এইচআইভি আছে কিনা জেনে নিতে পারবেন। তাছাড়া আপনার দেহ থেকে মোট ৭.৫ শতাংশ রক্ত ৩ জন মানুষের জীবন বাঁচাতে এবং তাদের সকলের মুখে হাসি ফুটাতে পারে। তাই রক্ত দিয়ে অন্যের মুখে হাসি ফুটানোর কারণ বনে যান।

রক্তদানের উপকারিতা সম্পর্কে প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নোত্তর

প্রশ্নঃ আমি কতবার রক্তদান করতে পারবো?

উত্তরঃ একবার রক্তদানের পর পরবর্তীতে পুরো রক্ত দিতে রক্তদাতাকে সর্বনিম্ন ৯০ দিন বা ১২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হয়। আর পাওয়ার রেড দানের (দ্বিগুন লাল রক্ত কোষ) ক্ষেত্রে অপেক্ষার সময়কাল ১১২ দিন বা ১৬ সপ্তাহ। তবে আপনি যদি কোনও অসুবিধায় ভোগেন তবে রক্তদান এড়িয়ে চলুন এবং রক্তদানের আগে অবশ্যই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করুন।

প্রশ্নঃ আমি কতটুকু রক্ত দান করতে পারবো?

উত্তরঃ আপনি প্রতি  সপ্তাহ পর এক ব্যাগ বা ৪৫০ মিলি রক্ত দান করতে পারেন। আমেরিকান রেড ক্রসবাংলাদেশের বাঁধন এর মতো সংস্থাগুলো রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে যেখানে যে কেউ অংশ নিতে এবং স্বেছায় রক্তদান করতে পারে। এছাড়া আপনি যে কোনও হাসপাতালে গিয়েও রক্ত দান করতে পারবেন।

প্রশ্নঃ রক্তদান করার জন্য আমার বয়স কত হতে হবে?

উত্তরঃ রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা অনুমোদিত হলে সাধারণ রক্ত সরবরাহে রক্ত দেওয়ার জন্য কমপক্ষে ১৮ বছর বা পিতামাতা অথবা অভিভাবকের সম্মতিতে ১৭ বছর বয়সী হতে হবে। তবে রক্তদানে সক্ষম হওয়ার জন্য রক্তদাতার বয়স অবশ্যই ১৮-৪৫ বছর এবং তাদের ওজন ৪৫ কেজির বেশি হতে হবে। একবার রক্তদানের পর যে কোনও সুস্থ ব্যক্তি ৯০ দিনের প্রয়োজনীয় ব্যবধানের পরে রক্ত দান করতে পারেন। এই অপেক্ষার সময় দাতার শরীরে রক্তের স্তরগুলো পূরণ করতে সহায়তা করে।

প্রশ্নঃ আমি অস্থি মজ্জা বা বোন ম্যারো কীভাবে দান করবো?

উত্তরঃ অস্থি মজ্জা দানের ক্ষেত্রে প্রথম পদক্ষেপ হল ম্যারো রেজিস্টার অথবা অস্থি মজ্জা আদান-প্রদানকারী  প্রতিষ্ঠানে আপনার বিবরণ জানিয়ে দিন। যদি কখনও কোনো অনুদানের প্রয়োজন হয় তাহলে ডাক্তাররা মিলে যাওয়া টিস্যু প্রকারটি খুঁজে বের করে আপনার সাথে সহজেই যোগাযোগ করতে পারবে।

প্রশ্নঃ অস্থি ম্যারো দান করার পর পুনরুদ্ধার হতে কতক্ষণ সময় লাগে?

উত্তরঃ অস্থি ম্যারো এবং পিবিএসসি দাতারা ১ থেকে ৭ দিনের মধ্যে কাজ, অফিস এবং অন্যান্য বেশিরভাগ ক্রিয়াকলাপে ফিরে যেতে পারবে। তাছাড়া  আপনি সম্ভবত কয়েক দিনের মধ্যেই স্বাভাবিক রুটিনে ফিরে আসতে সক্ষম হবেন এবং আপনার মজ্জা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই স্বাভাবিক স্তরে ফিরে আসবে। এছাড়া আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো ব্যক্তি এবং দানের ধরণের উপর নির্ভর করে অস্থি মজ্জা বা বোন ম্যারো দাতার পুনরুদ্ধারের সময়গুলো ভিন্ন হয়ে থাকে।

প্রশ্নঃ কে রক্ত দান করতে পারে না?

উত্তরঃ ১৮ বছরের কম এবং ৪৫ বছরের বেশি বয়সী ও ১১০ পাউন্ডের বা ৪৫ কেজি ওজনের কম ব্যক্তিরা রক্ত দান করতে পারে না। তাছাড়া সক্রিয় সংক্রমণ, তীব্র সংক্রমণ বা এইচআইভি এইডসের মতো রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত দেওয়া ঠিক নয়। রক্তদান করতে যাওয়ার আগে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ এবং চিকিৎসা বিষয়ক প্রয়োজনীয় তথ্যাবলি জেনে নেবেন। 

আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লেগেছে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন।
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।

 

 

কিভাবে Google Maps / গুগল ম্যাপস এ নিজের ঠিকানা যোগ করবেন?

আজ আমরা জানবো কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করবেন? বা গুগল ম্যাপে লোকেশন এড বা যুক্ত করার উপায় কি?

"how to add your address or location in Google maps"



আপনারা চাইলে Google maps এর মধ্যে অনেক সহজেই নিজের ঘর, দোকান, ব্যবসা ইত্যাদির ঠিকানা বা লোকেশন এড করতে পারবেন।

এর জন্যে আপনার কাছে একটি স্মার্টফোন (smartphone), ইন্টারনেট (Internet) এবং একটি জিমেইল একাউন্ট অবশই থাকতে হবে।

কালকেই আমাদের পাশের একটি দোকান এর মালিক তার দোকানের লোকেশন গুগল ম্যাপ এর মধ্যে যুক্ত করেছিলেন।

তিনি বললেন, গুগল ম্যাপের মধ্যে যদি তার দোকানের লোকেশন দেওয়া থাকে তাহলে গ্রাহকেরা তার দোকান অনেক সহজে এবং তাড়াতাড়ি খুঁজতে পারবেন।

তাই, সেখান থেকে আমার মাথায় এই প্রশ্নটি চলে আসলো যে এরকম অনেক লোকেরাই হয়তো রয়েছেন যারা নিজেদের দোকান বা ব্যবসার ঠিকানা গুগল মাপের মধ্যে যোগ করতে চাইছেন হয়তো।

তাই, সেখান থেকেই আমি আজকের এই আর্টিকেলের টপিক বা আইডিয়া খুঁজে পেলাম।

এমনিতে যখনি আমরা কোনো অচেনা জায়গা, ঠিকানা, বিল্ডিং বা দোকান ইত্যাদিতে যেতে হয় তখন সেই লোকেশন এর সঠিক ঠিকানা জানার জন্য আমরা গুগল ম্যাপ ব্যবহার করে থাকি।

কেননা, আজকাল প্রায় প্রত্যেক দোকান, বিখ্যাত জায়গা বা ব্যবসা গুলোর ঠিকানা বা লোকেশন গুগল ম্যাপস এর মধ্যে দেওয়া থাকে।

আর এতে, সেই জায়গাটি খুঁজতে আমাদের কোনো অসুবিধা হয়না।

তাই, আপনার যদি কোনো ব্যবসা বা দোকান রয়েছে বা আপনি আপনার লোকাল ঠিকানা গুগল ম্যাপস এর মধ্যে যোগ করে ঠিকানা খুঁজতে লোকেদের সাহায্য করতে চান,

তাহলে অনেক সহজেই গুগল ম্যাপস এর মধ্যে ঠিকানাটি বা জায়গাটি যোগ করতে জনসাধারণের সাহায্য করতে পারবেন।

চলুন, নিচে সরাসরি আমরা জেনেনেই কিভাবে গুগল ম্যাপে লোকেশন সেট বা যোগ করা যেতে পারে। 

কিভাবে গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করব । গুগল ম্যাপে লোকেশন যোগ

যা আমি ওপরে আপনাদের বললাম, গুগল ম্যাপ এর মধ্যে লোকেশন যোগ করার লাভ এবং সুবিধা কিন্তু প্রচুর রয়েছে।

কেননা, আজ যেকোনো নতুন জায়গা বা ঠিকানা খুজার ক্ষেত্রে আমরা প্রত্যেকেই কিন্তু Google maps এর ব্যবহার করে থাকি।

আর যদি আপনি আপনার ঘরের বা ব্যবসার ঠিকানা গুগল ম্যাপে যোগ করে থাকেন তাহলে আপনার friends, relatives, customers বা clients রা অনেক সহজেই আপনার ঠিকানা খুঁজতে পেতে পারবেন।

এর ফলে, আপনাকে বার বার ফোন করে বিরক্ত না করেই সবাই আপনার ঠিকানা খুঁজে পাবেন।

আর যদি আপনার কোনো ব্যবসা (business) বা দোকান আছে তাহলে তো গুগল ম্যাপে ঠিকানা যোগ করাটা আপনার জন্য অনেকটাই জরুরি।

এতে, আপনার গ্রাহকেরা বা ক্লায়েন্ট রা অনেক সহজেই আপনার দোকান বা ব্যবসার ঠিকানা পেতে পারবেন এবং সাথে গুগলের মাধ্যমে ফ্রীতে ব্যবসার প্রচার হয়ে যাবে।

Google maps এর মধ্যে লোকেশন / ঠিকানা যোগ করার উপায়

এবার আমরা সরাসরি সেই প্রত্যেকটি steps গুলোর বিষয়ে জেনেনিব যেগুলোর মাধ্যমে আপনি নিজের যেকোনো এড্রেস গুগল ম্যাপ এর মধ্যে এড করতে পারবেন।

এই কাজ অনেক সহজ এবং কেবল ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে একটি নতুন ঠিকানা Google map এর মধ্যে add করা সম্ভব।

আপনি নিজের computer বা smartphone যেকোনো device থেকেই এই কাজটি করে নিতে পারবেন।

তবে, নিচে আমি যেই পদ্ধতি বা স্টেপ গুলো বলতে চলেছি সেগুলো একটি android mobile এর মাধ্যমে আপনাকে করতে হবে।

কারণ, আজকাল একটি android mobile আমাদের প্রত্যেকের কাছেই রয়েছে আর মোবাইল থেকে এই কাজ অনেক সহজেই করা সম্ভব।

তাহলে চলুন, গুগল ম্যাপে নতুন লোকেশন এড কিভাবে করবেন সেটার স্টেপ গুলো জেনেনেই। 

  1. সবচেয়ে প্রথমে আপনাকে নিজের মোবাইলে Google maps এর application ওপেন করতে হবে। আপনি যদি একটি android mobile ব্যবহার করছেন, তাহলে আপনার মোবাইলে আগের থেকেই গুগল ম্যাপ ইনস্টল করা আছে।
  2. এপ্লিকেশন ওপেন করার পর এবার আপনাকে একেবারে নিচে থাকা “contribute” অপশনে ক্লিক করতে হবে।
  3. Contribute option এর মধ্যে click করার পর আপনি ওপরে কিছু options দেখতে পাবেন। Edit map, Add place, write review, add photo.
  4. যিহেতু আমরা নতুন করে একটি address যোগ করতে চাইছি, তাই আমরা “Add place” এর মধ্যে click করবো।
  5. এবার আপনাদের কাছে জায়গা (place) যোগ করার জন্য একটি পেজ চলে আসবে।
  6. এখন, একে একে জায়গার নাম (name), ক্যাটাগরি, জায়গার লোকেশন (address), এবং যদি সেই জায়গার কোনো ছবি, যোগাযোগ নম্বর, ওয়েবসাইট ইত্যাদি আছে তাহলে সেটা দিয়ে দিতে হবে।
  7. এবার সবটা দিয়ে দেওয়ার পর ওপরে থাকা next button এর মধ্যে click করুন।
  8. এখন, গুগল ম্যাপ এর মধ্যে আপনার নতুন করে যোগ করা ঠিকানার আবেদন জমা হয়ে যাবে।
  9. এখন গুগল আপনার ঠিকানা verify করে সেটাকে গুগল ম্যাপ এর মধ্যে অনেক তাড়াতাড়ি যোগ করে দিবে।

ওপরে বলা স্টেপ্স গুলো যদি আপনারা ভালো করে বুঝতে পারেননি তাহলে নিচে দেওয়া ছবিটি দেখে সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া ভালো করে বুঝতে পারবেন।

ছবি সহ স্টেপ গুলো দেখেনিন

স্টেপ ১.


সবচে আগেই যখন আপনারা নিজের মোবাইলে গুগল ম্যাপ এপস ওপেন করবেন, তখন আপনারা ঠিক নিচের দিকে contribute এর অপসন দেখতে পাবেন।

ওপরে ছবিটি দেখলেই বুঝতে পারবেন।

মনে রাখবেন প্রথমেই আপনাকে নিজের Gmail account এর সাথে login করতে হবে।

স্টেপ ২. 

 


এবার পরের পেজে আপনারা Add place এর অপশনে ক্লিক করতে হবে।

Note: যদি আপনারা আগের থেকে যোগ করা কোনো ঠিকানার বিষয়ে কোনো তথ্য এডিট করতে চাইছেন, তাহলে EDIT MAP এর অপশনে ক্লিক করতে হবে।

স্টেপ ৩. 


 

শেষে আপনাকে ম্যাপের মধ্যে নতুন ঠিকানা যোগ করার জন্য একটি সাধারণ form দেওয়া হবে।

এই ফর্মের মধ্যে জায়গার নাম, ক্যাটাগরি, লোকেশন ইত্যাদি যোগ করতে হবে।

আপনি চাইলে নিচে থাকা add phone, website, date, photos অপশনে ক্লিক করে সেই নতুন জায়গার ছবি এবং আরো অন্যান্য তথ্য গুলো যোগ করতে পারবেন।

শেষে, ওপরে থাকা NEXT বাটনে ক্লিক করে form টি জমা দিয়ে দিতে হবে।

আমাদের শেষ কথা,

তাহলে বন্ধুরা, আজকের আর্টিকেলের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে কিভাবে গুগল ম্যাপে নতুন করে ঠিকানা বা লোকেশন যোগ করতে হয় সেই বিষয়ে।

কেবল ২ মিনিটের মধ্যে আপনি যেকোনো জায়গার লোকেশন এবং তথ্য গুগল ম্যাপে অ্যাড করতে পারবেন।

আপনার মোবাইলে গুগল ম্যাপ এর এপ্লিকেশন যদি আগের থেকেই রয়েছে তাহলে সরাসরি মোবাইল থেকে এই কাজ করে নিতে পারবেন।

এছাড়া, যদি আপনার মোবাইলে Google Maps Application নেই তাহলেও চিন্তা করতে হবেনা। আপনি Google play store থেকে এই এপস ফ্রীতে ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন। 
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।  

Thursday, September 16, 2021

১০ টি স্মার্ট টেক ট্রিক্সস যা আপনি জানতেন না।

আপনারা প্রতিদিন যে গ্যাজেটগুলি ব্যবহার করেন সেগুলিতে ডেভেলপাররা বিভিন্ন সিক্রেট, শর্টকাট এবং ট্রিক্স লুকিয়ে রাখে। সেই সিক্রেট গুলোর মধ্যে অধিকাংশই আপনি হয়তো জানেন না। আজকে এমনই দশটি সিক্রেট নিয়ে আমরা আলোচনা করব।

"10 secret tech tricks you didn't know."



১. আইফোনকে নতুন ভাবে শেখান

প্রথমে iOS 14 কে ধন্যবাদ দিতেই হয় কারণ তারা নিয়ে এসেছে একাধিক নতুন কমান্ড এবং Gesture। এর মধ্যে একটি দারুণ ফিচার হচ্ছে Back Tap Gesture। যখন এই ফিচার চালু করা হয়, আপনার ফোনটির ব্যাক পার্টে ট্যাপ করে বিভিন্ন কাজ করে ফেলতে পারবেন। তবে পুরানো হোম বোতামের বিপরীতে, ব্যাক ট্যাপ আপনার স্ক্রিনটি লক করার চেয়ে অনেক বেশি কিছু করতে পারে। আপনি কাস্টমাইজেশনের মাধ্যমে ওয়ালেট অ্যাপ খুলা, ভলিউম মিউট করা, স্ক্রিনশট সহ আরও কাজ করতে পারবেন।

Back Tap ফিচারটি iPhone 8 মডেল এবং নতুন iOS 14 ফোন গুলোতে সাপোর্ট করবে। চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে এটি এনেভল করবেন।

  • প্রথমে Settings এ যান তারপর accessibility ট্যাপ করুন
  • এবার Touch এ ট্যাপ করুন
  • নিচের দিকে স্ক্রুল করে Back Tap এ প্রেস করুন
  • Double Tap অথবা Triple Tap এ ট্যাপ করুন এবং প্রয়োজনমত একশন বাছাই করে নিন

আপনি আপনার ফোনের পেছনে দুইবার ট্যাপ করলে Double Tap gesture একটিভ হবে এবং তিনবার ট্যাপ করলে Triple Tap Gesture একটিভ হবে।

২. Zoom কলে নিজেকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলুন

বর্তমান সময়ে আমাদের প্রায় প্রতিদিন Zoom এ কোন না কোন মিটিং এ অংশ নিতে হচ্ছে। আপনি হয়তো জানেন না একটা ট্রিক্সের মাধ্যমে Zoom এ নিজেকে চাইলে আরও দারুণ ভাবে উপস্থাপন করতে পারেন। এজন্য আপনাকে Zoom এর Touch Up My Appearance ফিচারটি ব্যবহার করতে হবে৷ চিন্তার কিছু নেই এর জন্য আপনাকে আপগ্রেড করতে হবে না ফ্রিতেই এটি ব্যবহার করতে পারবেন।

  • প্রথমে ডেক্সটপ থেকে আপনার Zoom ওপেন করুন। এবার Profile Picture এ ক্লিক করুন।
  • এবার Video ট্যাবে ক্লিক করুন।
  • Video Settings থেকে Touch Up My Appearance এ ক্লিক করুন
  • প্রয়োজন মত ইফেক্ট সেট করে নিন।

আপনি চাইলে কাজটি iOS অ্যাপ এর মাধ্যমেও করতে পারেন।

  • Zoom এ গিয়ে Settings এ ট্যাপ করুন
  • এবার Meetings ট্যাপ করুন
  • Touch up my appearance ট্যাপ করুন
  • প্রয়োজন মত এনেভল বা ডিজেবল করে দিন

৩. ভিডিও কলে পান দুর্দান্ত অডিও

Zoom এর মিটিং, ভিডিও কল, Skype ভিডিও কনফারেন্সিং এর সময় আপনার আশেপাশে নয়েজ থাকতেই পারে। অবাঞ্ছিত বিভিন্ন নয়েজ আপনার ভাবমূর্তি বিভিন্ন পক্ষের কাছে খর্ব করতে পারে। চিন্তার কোন কারণ নেই, এই ধরনের সমস্যার সমাধান রয়েছে। আজকে এমন একটি অ্যাপ এর সাথে আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেব যার মাধ্যমে আপনি দূর করতে পারবেন বিভিন্ন ধরনের নয়েজ।

Krisp এমন একটি অ্যাপ যা মেশিন লার্নিং এলগোরিদম ব্যবহার করে যা ভিডিও কল তথা ডেক্সটপের যেকোনো সাউন্ড রেকর্ডিং চলা কালে সকল নয়েজকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। জেনে আপনি অবাক হবেন কথা বলার মাঝে আপনি কাশি দিলে সেটাও ডিটেক্ট করে রিমুভ করতে পারবে এই Krisp

চলুন জেনে নেয়া যাক কিভাবে Krisp সেটআপ করা যায়,

  • প্রথমে Krisp এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান এবং রেজিস্ট্রেশন করে অ্যাপটি ডাউনলোড করুন।
  • এবার যেকোনো অ্যাপের Audio হিসেবে Krisp ব্যবহার করুন। Zoom এর ক্ষেত্রে প্রথমে Settings এ যান।
  • Audio settings ওপেন করুন, ড্রপ-ডাউন থেকে Microphone হিসেবে এবং Speaker হিসেবে Krisp সিলেক্ট করুন।
  • Krisp এ গিয়ে প্রয়োজন মত মাইক্রোফোন এবং স্পীকার ইউজ করুন।

৪. জানুন কোন অ্যাপ আপনার উপর নজরদারি করছে

আগেই বলেছি iOS 14 আপডেটের পর বিভিন্ন ফিচার এড করা হয়েছে আইফোন গুলোতে। বর্তমানে নতুন একটি ফিচারের মাধ্যমে ইউজাররা জানতে পারবে আপনার মাইক্রোফোন বা ক্যামেরা ব্যবহৃত হচ্ছে কিনা। ইনডিকেটর আইকন আপনার প্রাইভেসিকে বাড়িয়ে তুলবে কয়েক গুন।

Android 11 এ এই ফিচারটি না থাকলেও আপনি Access Dots - iOS 14 অ্যাপটির মাধ্যমে এই সুবিধাটি ব্যবহার করতে পারেন। একবার আপনি অ্যাপটি ইন্সটল দিয়ে দিলে, যখন ক্যামেরা ব্যবহৃত হবে তখন সবুজ আইকন শো করবে এবং কমলা আইকন শো করবে যখন মাইক্রোফোন ব্যবহৃত হবে।

অ্যাপটি ইন্সটল দেয়ার পর এটি কিছু পারমিশন চাইতে পারে সেগুলোর এক্সেস দিয়ে দিন। যেহেতু অ্যাপটি প্লে-স্টোরে এভেইলেবল রয়েছে সেহেতু এটি নিরাপদ একটি অ্যাপ আপনি নিশ্চিন্তে ব্যবহার করতে পারেন।

৫. ব্রাউজার থেকে যেকোনো মিউজিক মিউট করা

ধরুন আপনি নিঃশব্দে কাজ করতে চান কিন্তু হটাৎ করে একটি ট্যাবে মিউজিক বেজে উঠলো। হতে পারে সেই পেজে কোন ভিডিও ছিল বা এড ওপেন হয়েছে। সেই সাউন্ড মিউট করতে উক্ত ট্যাবটিতে রাইট ক্লিক করুন এবং Mute site এ ক্লিক করুন।

Microsoft Edge এ কাজটি আরও সহজে করা যায়, স্পিকার আইকনে ক্লিক করলেই হবে। Safari ব্রাউজারের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য।

৬. ফর্মেটিং ছাড়া দ্রুত কপি পেস্ট করা


আমরা যখন কোন টেক্সট কপি করি তখন পেস্ট করলে দেখা যায় পূর্বের ফর্মেটিং অনুযায়ী পেস্ট হয়। হতে পারে ভিন্ন ফন্ট চলে আসে, লিখার মধ্যে লিংক এড করা থাকে, ভিন্ন কালার চলে আসে। অনেকে এই সমস্যা সমাধানের জন্য কপিকৃত লিখাটি Notepad এ ওপেন করে থাকে৷ কিন্তু এটি বেশ ঝামেলার, সময় বেশি লাগে।

আমি আজকে আপনাকে আরও সহজে এর সমাধান দেব৷ নির্দিষ্ট টেক্সট করুন এবং উইন্ডোজ পিসির ক্ষেত্রে Ctrl+Shift+V প্রেস করুন, ম্যাক অপারেটিং এর ক্ষেত্রে Option+CMD+Shift+V প্রেস করুন। আপনি এই পদ্ধতিতে যখন কোন ডকুমেন্ট পেস্ট করবেন তখন সকল ফর্মেটিং রিমুভ হয়ে যাবে।

৭. শর্টকাট ব্যবহার করে আরও দ্রুত টাইপিং করুন

আপনি শর্টকাট একটি ট্রিক্স ব্যবহার করে বাড়িয়ে তুলতে পারেন আপনার টাইপিং স্পীড। Text replacement ট্রিক্সের মাধ্যমে আপনি বড় লিখাকে ছোট করে ফেলতে পারবেন, যেমন, GM এর মাধ্যমে লিখতে পারবেন Good Morning। রয়েছে কাস্টমাইজেশনের সুবিধা।

আইফোনের ক্ষেত্রে,

  • প্রথমে Settings এ যান তারপর General > Keyboard > Text Replacement এ ট্যাপ করুন।
  • প্লাস আইকনে প্রেস করে ইচ্ছে মত শর্টকাট তৈরি করুন।

অ্যান্ড্রয়েড ফোনের ক্ষেত্রে Google Keyboard ব্যবহার করে এই ফিচারটি পেতে পারেন,

  • Gboard ওপেন করুন, Settings > Dictionary > Personal dictionary যান আপনার ভাষা সিলেক্ট করুন।
  • প্লাস আইকনে ক্লিক করুন, প্রথম ফিল্ডে আপনার নির্দিষ্ট ওয়ার্ডটি লিখুন এবং দ্বিতীয় ফিল্ডে শর্টকাট লিখুন।

৮. মাউস ছাড়া স্ক্রুল করা

আপনি চাইলে মাউসের স্ক্রুল ব্যবহার না করেও ওয়েব ব্রাউজারের পেজ স্ক্রুল করতে পারেন। কখনো কখনো আমাদের মাউসের Scroll Wheel টি নষ্ট হয়ে যেতে পারে সেক্ষেত্রে এই ট্রিক্সটি কাজে আসতে পারে।

ওয়েব ব্রাউজারের নির্দিষ্ট পেজে যান এবং কিবোর্ডের Spacebar ক্লিক করুন। দেখবেন নিচের দিকে পেজ স্ক্রুল হচ্ছে। উপরের দিকে স্ক্রুল করতে Shift + Spacebar এ ক্লিক করুন। এই ট্রিক্সটি একই সাথে উইন্ডোজ এবং ম্যাক উভয় অপারেটিং সিস্টেমেই কাজ করে।

৯. ম্যানেজ করুন ইনকামিং নোটিফিকেশন

প্রতিটি অ্যাপে গিয়ে নোটিফিকেশন ম্যানেজ করা আপনার জন্য কঠিন বা ঝামেলার হতে পারে। সুখবর হচ্ছে আইফোন এবং এন্ড্রয়েড উভয় আপডেট ভার্সনে নোটিফিকেশন খুব ভাল ভাবে ম্যানেজ করতে পারবেন।

যখন নোটিফিকেশন আসবে তখন আইফোনের ক্ষেত্রে, নোটিফিকেশনটি চাপ দিয়ে ধরুন। খেয়াল করবেন উইন্ডোটি একটি বড় হবে এবার থ্রি-ডটে ক্লিক দিয়ে প্রয়োজন মত সেটিং করুন।

এন্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে নোটিফিকেশন আসলে সেটিতে ট্যাপ করে ধরে রাখুন৷ এবার আপনি চাইলেই নির্দিষ্ট অ্যাপটির নোটিফিকেশন এনেভল বা ডিজেবল করতে পারবেন।

১০. চোখ বাঁচাতে ডার্ক মুড ব্যবহার করুন

Android 11 এ আপনি চাইলে ডার্ক মুড ব্যবহার করতে পারেন। এমনকি চাইলে শিডিউলের মাধ্যমে।

চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে ডার্ক থিম এনেভল করা যায়। নোটিফিকেশন বারটি এক্সপান্ড করুন।

  • Dark theme আইকনে ক্লিক ট্যাপ করে ধরে রাখুন।
  • আপনি তিনটি শিডিউলিং অপশনও দেখতে পাবেন
  • Turns on at custom time এ ক্লিক করে আপনি কাস্টম টাইমও সেট করে নিতে পারেন।

আমাদের আজকের এই আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করবেন।

ধন্যবাদ,

## আমাদের ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
##  আমাদের টুইটা্রে ফলো করুন।
## আমাদের ইন্সটাগ্রামে ফলো করুন।
## আমাদের পিন্টারেস্টে ফলো করুন।
## আমাদের টাম্বলারে ফলো করুন। 
## ফ্রি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং করতে চাইলে ফেসবুকের এই গ্রুপে জয়েন করতে পারেন।