Twitter / টুইটার কি? কিভাবে টুইটারে ব্যবসা করবেন?
টুইটার কি?
টুইটার হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া। টুইটার বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া হওয়ার কারণ হচ্ছে এখানে প্রতিমাসে 6.10 বিলিয়ন লোক সরাসরি প্রবেশ করে। টুইটার গ্লোবাল রেঙ্কিং এ সোশ্যাল মিডিয়া হিসেবে চার নাম্বারে অবস্থান করছে।
উক্ত তথ্য থেকে আমরা সহজেই বুঝতে পারি যে, টুইটার কতটা জনপ্রিয় মাধ্যম। আমরা যে কোন দেশ হতে টুইটার একাউন্ট করতে পারি। টুইটারের মাধ্যমে সারা বিশ্বের খবর রাখতে পারি। টুইটারের মাধ্যমে আমরা আমাদের পরিবার-পরিজন, বন্ধু-বান্ধব , আত্মীয়-স্বজন ও অজানা বন্ধুদের সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
কিভাবে টুইটার ব্যবহার করা যায়?
টুইটার ব্যবহার করার জন্য আমাদের কিছু টুইটার টিপস বাংলা পদক্ষেপ অনুসরণ করতে হবে। নিচে টুইটার টিপস বাংলা পদক্ষেপ গুলি দেওয়া হলঃ
টুইটার ব্যবহার করার আগে আপনাকে সর্বপ্রথম যেটি করতে হবে, একটি টুইটার একাউন্ট খুলতে হবে। টুইটার একাউন্ট খোলার জন্য যে যে বিষয়গুলির প্রয়োজন সেগুলো নিচে দেওয়া হলঃ
১. প্রোফাইল নাম দিতে হবে,
২. একটি রেজিস্ট্রেশন কৃত ফোন নাম্বার দিতে হবে অথবা আপনি চাইলে আপনার ই-মেইল ব্যবহার করতে পারেন।
৩. আপনার জন্ম তারিখ দিতে হবে।
৪. আপনি যে মোবাইল নম্বর অথবা যে ইমেইল ব্যবহার করেছেন সেখান থেকে ভেরিফাই করতে হবে।
৫. একটি প্রোফাইল পিকচার দিতে হবে।
৬. আপনি যে ঠিকানায় অবস্থান করছেন সেই ঠিকানা নাম দিতে হবে।
৭. আপনি আপনার প্রোফাইলে নিজের সম্পর্কে কিছু উপস্থাপন করুন যেটি দেখে মানুষ আপনাকে অনুসরণ করতে পারে।
একটি সম্পূর্ণ প্রোফাইল তৈরি হওয়ার পর আপনি টুইটার ব্যবহার করতে সক্ষম
হবেন। অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত টুইটারেও আপনারা কমেন্ট, পোস্ট, স্টরি
করতে পারবেন। তবে অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত টুইটারে পোস্ট কমেন্ট এবং
স্টোরির আলাদা নাম আছে। নামগুলো হলো, যেমন ফেসবুকে আমরা পোস্ট করি
কিন্তু টুইটারে আমরা টুইট করব। আবার দেখা যায় ফেসবুকে আমরা কমেন্ট করি
কিন্তু টুইটারে আমরা রিটুইট করব ঠিক একইভাবে স্টোরির ক্ষেত্রে টুইটারে আমরা
মোমেন্ট ব্যবহার করব।
টুইটারে টুইট করাঃ
ছবি অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত উপরে টুইট করার জন্য টুইটারে একটি
জায়গা রয়েছে। যেখানে আপনি আপনার মেসেজ লিখতে পারেন, যেখানে আপনি আপনার
পিকচার দিতে পারেন,যেখানে আপনি আপনার ছোট ভিডিও দিতে পারেন ইত্যাদি। আপনার
প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে তারপর আপনি টুইট করতে পারেন।
এবং উক্ত টুইট আপনার বন্ধু-বান্ধব, পরিবার-পরিজন, আত্মীয়-স্বজন অজানা বন্ধুরাও দেখার অধিকার রাখে এবং তারা রিটুইট করার অধিকার রাখে।
টুইটারে রিটুইট করাঃ
অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ায় যেটাকে আমরা কমেন্ট বলে থাকি সেটা টুইটারে
রিটুইট বলা হয়ে থাকে। অন্য বন্ধুদের বা অন্য কোনো টুইটে আমরা সবাই রিটুইট
করার অধিকার রাখি। যেকোনো টুইট আমরা টুইট রিপ্লে করতে পারব এবং রিটুইট করতে
পারব এবং কি সেই টুইট আমরা আমাদের পরিচিতদের মধ্যে শেয়ার ও করতে পারব।
সাধারণত একটি টুইটে চারটি অপশন থেকে থাকে। উপরের ছবিতে দেখা যাচ্ছে, যে
প্রথম অপশনটি হল টুইট রিপ্লে, দ্বিতীয় অপশনটি হচ্ছে সংক্ষিপ্ত টুইট,
তৃতীয় অপশনটি হচ্ছে পছন্দ হওয়া না হওয়া এবং চতুর্থ অপশনটি হচ্ছে শেয়ার
করা:
১. রিটুইট অপশনে আপনি ক্লিক করে সেই টুইট সম্পর্কে আপনার মতামত ব্যক্ত করতে পারেন।
২. দ্বিতীয় অপশনের রয়েছে সংক্ষিপ্ত টুইট আপনি যে কোন টুইটে সংক্ষিপ্ত টুইট করতে পারেন।
৪. তৃতীয় অপশনে অবস্থান করছে টুইট পছন্দ করা বা অপছন্দ করার বাটন।
অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়ার মত আপনি টুইটারে যে কোনো টুইট পছন্দ করার জন্য
লাভ রিয়েক্ট দিতে পারেন।
৫. পরবর্তী বাটন টি তে ক্লিক করে আপনি উক্ত টুইটটি অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে পারেন।
৬. সব সময় মাথায় রাখবেন যে মানুষকে ফ্রিতে গুরুত্বপূর্ণ এবং শিক্ষনীয় বিষয় শেয়ার করলে মানুষ আপনাকে ফলো করবে।
৭. আপনার প্রোফাইল ইউজারনেম এমন একটি নাম দিবেন যেটি দিয়ে মানুষ সহজেই সার্চ করতে পারে। মানুষ যেন সহজেই আপনাকে খুঁজে পায়।
আশা করি উপরোক্ত টুইটার টিপস বাংলা গুলো মেনে চললে আপনার ফলোয়ার বাড়তে খুব বেশি সময় লাগবে না। মনে রাখবেন টুইটারে প্রতিমাসে 600 কোটিরও বেশি লোক সরাসরি প্রবেশ করে সেখানে যদি আপনি একটু কষ্ট করে সুন্দর সুন্দর টুইট করতে পারেন তাহলে আপনার পরিচিতি বৃদ্ধি পাবে।
কিভাবে আপনার টুইট সবার কাছে পৌঁছাতে পারে?
আপনি প্রতিনিয়ত সুন্দর সুন্দর টুইট করেই যাচ্ছেন কিন্তু দেখা যাচ্ছে
আপনার টুইট সবার কাছে পৌঁচাচ্ছে না। সে ক্ষেত্রে দেখা যাবে যে টুইটারের
প্রতি আপনার অবিশ্বাসের জন্ম নিবে। সামান্য কিছু টিপস এবং ট্রিক্স খাটিয়ে
আপনি আপনার টুইট জনসাধারণের মধ্যে প্রসারিত করতে পারেন। নিচে আমাদের
এফিলিয়েট ডক্টর এর পক্ষ হতে কিছু টিপস এবং ট্রিকস দেওয়া হলঃ
আশা করি অনুসরণ করলে কাজে দেবে। তো চলুন জেনে নেই কিভাবে টুইটার টিপস
বাংলার মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে খুব কম সময়ে প্রসারিত করা যায়।
১. ফলোয়ার বাড়ানোর প্রধান কারণটি হচ্ছে আপনি প্রতিদিন কমপক্ষে 10 থেকে 15 জন করে নিজে ফলো করুন।
২. হয়তো ভাবছেন আমি কেন ফলো করবো কারণ হচ্ছে আপনি যদি কাউকে ফলো করেন
তাহলে অটোমেটিকলি তার কাছে নোটিফিকেশন চলে যাবে। নোটিফিকেশন যাওয়ার পর
দেখা যাবে সে আপনাকে ফলো ব্যাক করেছে।
৩. আপনি যদি প্রতিনিয়ত খুব ভালো ভালো টুইট করেন, খুব ভালো ভালো ভিডিও
আপলোড করেন, খুব ভালো ভালো মেসেজ পৌঁছান মানুষের কাছে। মানুষ আকর্ষণ হয়
এমন কিছু আপলোড করেন তাহলে দেখা যাবে, যাদেরকে ফলো করেছেন তারা আপনার
প্রোফাইল ঘুরে আপনাকে ফলো ব্যাক করবে।
৪. সেক্ষেত্রে আপনার টুইটার একাউন্ট করার পর হতেই সুন্দর সুন্দর টুইট করতে হবে মানুষের মধ্যে আকর্ষণ তৈরি করতে হবে।
কেন আমরা টুইটার ব্যবহার করব?
আপনারা কিছু টুইটার টিপস বাংলার মাধ্যমে জেনে গেছেন যে টুইটার হচ্ছে
বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম সোশ্যাল মিডিয়া। যেখানে প্রতি মাসে 600 কোটি এরও
বেশি মানুষ সরাসরি প্রবেশ করে থাকে। তাই এখানে জনপ্রিয়তা অর্জন করা খুব
বেশি কষ্ট হবে না। টুইটার এমন একটি সোশ্যাল মিডিয়া যেখানে আপনি আপনার
ব্যক্তিত্বকে আপনার ব্যবসা-বাণিজ্য কে সরাসরি বিভিন্ন দেশের মানুষের সামনে
উপস্থাপন করতে পারেন।
টুইটারের সবচেয়ে বড় উপকারী হচ্ছে এখানে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি ভিজিট করে
থাকে এবং আপনি চাইলে আপনার ব্যক্তিত্ব বা ব্যবসা-বাণিজ্যকে বিশ্ববাজারে
উপস্থাপন করতে পারেন। এরকম আরো অনেক ছোট ছোট সুযোগ সুবিধার জন্য আমরা
টুইটার ব্যবহার করব।
টুইটারে আমরা কিভাবে ব্যাবসা করব?
বর্তমান বাংলাদেশে আমরা যারা বেকার অবস্থায় আছি তারা সবাই অনলাইনের
দিকে ঝুকে পড়ছে। আমরা সবাই চাই কিভাবে অনলাইন থেকে ইনকাম করা যায়?অনলাইন
থেকে সবচেয়ে সহজ উপায়ে ইনকাম করার কিছু টুইটার টিপস রয়েছে। যে টুইটার
টিপস বাংলা অবলম্বন করলে আপনি অনলাইন থেকে খুব সহজে ইনকাম করতে পারেন।
আজকে আমরা আপনাদের সাথে শেয়ার করব কিভাবে আপনি টুইটার থেকে আপনার
এফিলিয়েট লিংক দ্বারা কিভাবে ইনকাম করতে পারেন এবং সেল আনতে পারেন।
১. টুইটারে আপনার ফলোয়ার দের উদ্দেশ্যে তাদের চাহিদা অনুযায়ী টুইট করে থাকবেন।
২. আপনার অ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট এর উপর টুইট করে থাকবেন। অবশ্যই
সেখানে আপনার এফিলিয়েট লিংক থাকতে হবে। তা না হলে আপনি আপনার ফলোয়ারদের
উক্ত প্রোডাক্টটি দিতে পারবেন না।
৩. টুইটারে আপনারা যে প্রোডাক্টটি নিয়ে এফিলিয়েট মার্কেটিং করতে
চান সেই প্রোডাক্টের ক্যাটাগরি অনুযায়ী কোন গ্রুপ অথবা কোন টুইটে রি-টুইট
কিংবা রিকমেন্ট করতে পারেন। এতে দেখা যাবে আপনাদের এফিলিয়েট প্রোডাক্টটি
সর্বোচ্চ পরিমাণে সেল হওয়ার সম্ভাবনা রাখে।
৪. প্রতিদিন আপনারা কমপক্ষে পাঁচটি থেকে দশটি টুইট এবং পাঁচজন থেকে ১০ জন কে ফলো করতে পারেন।
আমাদের আজকের এই
আর্টিকেল যদি আপনাদের ভালো লাগে, তাহলে অবশ্যই আর্টিকেলটি শেয়ার করবেন।
ধন্যবাদ,
