আপনার Android ফোনেই লুকিয়ে আছে ৭টি অসাধারণ ফিচার, যেগুলো ব্যবহার করছেন তো?
Android ফোনের ৭টি দরকারি ফিচার, যেগুলো অনেকেই ব্যবহার করেন না
আপনার Android ফোনে এমন অনেক সুবিধা রয়েছে, যেগুলোর জন্য হয়তো আপনি আলাদা অ্যাপ ইনস্টল করে রেখেছেন। অথচ কয়েকটি সেটিংস চালু করলেই একই কাজ ফোনের নিজস্ব ফিচার দিয়ে করা সম্ভব।
একই স্ক্রিনে দুটি অ্যাপ চালানো, ভুল করে মুছে ফেলা নোটিফিকেশন খুঁজে পাওয়া, অন্যকে ফোন দিয়েও ব্যক্তিগত অ্যাপের নিরাপত্তা বজায় রাখা কিংবা ইন্টারনেট ছাড়াই কাছাকাছি ডিভাইসে ফাইল পাঠানো—এসব কাজ Android ফোনেই করা যায়।
স্মার্টফোনের ব্যবহার এখন শুধু কল, মেসেজ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সীমাবদ্ধ নয়। পড়াশোনা, অফিসের কাজ, ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা এবং দৈনন্দিন যোগাযোগের জন্য ফোনের এসব সুবিধা বেশ কার্যকর হতে পারে।
আজ এমন ৭টি Android ফিচার সম্পর্কে জানব, যেগুলো আপনার ফোন ব্যবহারের অভিজ্ঞতা আরও সহজ ও সুবিধাজনক করে তুলতে পারে।
মনে রাখবেন: Android ভার্সন, ফোনের ব্র্যান্ড এবং নির্মাতার নিজস্ব সফটওয়্যারের কারণে ফিচারের নাম বা সেটিংসের অবস্থান ভিন্ন হতে পারে। কোনো অপশন খুঁজে না পেলে Settings-এর Search ব্যবহার করুন।
১. Split Screen: একই সময়ে দুটি অ্যাপ ব্যবহার করুন
ধরুন, আপনি YouTube-এ একটি ভিডিও দেখছেন। একই সময়ে WhatsApp-এ বন্ধুর সঙ্গে কথা বলা কিংবা Calculator দিয়ে কোনো হিসাব করাও প্রয়োজন। সাধারণত এ ক্ষেত্রে বারবার একটি অ্যাপ থেকে অন্য অ্যাপে যেতে হয়।
কিন্তু Android-এর Split Screen ফিচার ব্যবহার করলে একই স্ক্রিনে দুটি অ্যাপ চালানো যায়। এতে এক অ্যাপের কাজ করতে করতে অন্য অ্যাপও ব্যবহার করতে পারবেন।
Split Screen চালু করার নিয়ম
- প্রথমে যে দুটি অ্যাপ ব্যবহার করতে চান, সেগুলো খুলুন।
- Recent Apps বা Recent Tasks স্ক্রিনে যান।
- প্রথম অ্যাপের আইকন বা মেনুতে চাপ দিন।
- Split Screen অপশন নির্বাচন করুন।
- এবার দ্বিতীয় অ্যাপটি নির্বাচন করুন।
এখন স্ক্রিনের এক অংশে একটি অ্যাপ এবং অন্য অংশে আরেকটি অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। প্রয়োজনে দুই অ্যাপের মাঝের বিভাজক টেনে স্ক্রিনের জায়গাও পরিবর্তন করা যায়।
কখন Split Screen কাজে লাগবে?
- এক পাশে YouTube, অন্য পাশে Notes অ্যাপ রেখে নোট নেওয়া।
- PDF বই পড়ার পাশাপাশি Calculator ব্যবহার করা।
- Browser-এ কোনো তথ্য খুঁজে অন্য অ্যাপে সেটি লিখে রাখা।
- অনলাইন ক্লাসের সময় প্রয়োজনীয় নোট তৈরি করা।
তবে সব অ্যাপ Split Screen সমর্থন করে না। ফোনের স্ক্রিন ছোট হলে কিংবা নির্মাতা এই সুবিধা সীমিত করে রাখলে অপশনটি নাও পাওয়া যেতে পারে।
২. App Pinning: ফোন অন্যকে দিলেও নির্দিষ্ট অ্যাপেই রাখুন
কাউকে একটি ছবি দেখানোর জন্য ফোন দিলেন। কিন্তু সে ছবি দেখার বদলে আপনার অন্য অ্যাপ খুলতে শুরু করল। এমন পরিস্থিতিতে App Pinning বেশ কাজে আসতে পারে।
এই ফিচারের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট অ্যাপকে ফোনের স্ক্রিনে আটকে রাখা যায়। ফলে অন্য ব্যক্তি সহজে সেই অ্যাপ থেকে বের হয়ে ফোনের বাকি অংশ ব্যবহার করতে পারবেন না।
App Pinning চালু করার নিয়ম
- ফোনের Settings খুলুন।
- Search-এ App Pinning বা Pin App লিখুন।
- অপশনটি পাওয়া গেলে চালু করুন।
- Recent Apps স্ক্রিনে গিয়ে যে অ্যাপটি Pin করতে চান, সেটির আইকন বা মেনুতে চাপ দিন।
- Pin অপশন নির্বাচন করুন।
এখন নির্দিষ্ট অ্যাপটি স্ক্রিনে আটকে থাকবে। ফোনের Android ভার্সন অনুযায়ী Unpin করার পদ্ধতি আলাদা হতে পারে। সাধারণত Navigation Button বা Gesture ব্যবহার করে অ্যাপটি আনপিন করতে হয়।
কিছু ফোনে Unpin করার সময় PIN, Pattern বা Password চাইতে পারে। তাই সেটিংস চালু করার সময় ফোনের নির্দেশনা দেখে নিন।
কখন ব্যবহার করবেন?
- ছোট ভাই-বোনকে YouTube দেখানোর সময়।
- কাউকে একটি ছবি বা ওয়েবসাইট দেখানোর সময়।
- অফিসে কাউকে নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করতে দেওয়ার সময়।
সতর্কতা: App Pinning ফোনের সব ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখার বিকল্প নয়। ফোন অন্যকে দেওয়ার আগে ব্যক্তিগত নোটিফিকেশন লুকিয়ে রাখা এবং প্রয়োজনীয় তথ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ভালো।
৩. Notification History: মুছে ফেলা নোটিফিকেশন আবার দেখুন
ফোনে গুরুত্বপূর্ণ একটি Notification এল। কিন্তু ভুল করে Clear All চাপ দেওয়ায় সেটি হারিয়ে গেল। আবার কখনো নোটিফিকেশন দেখে মেসেজটি পড়ার আগেই সেটি অদৃশ্য হয়ে যায়।
Android-এর Notification History ফিচার এমন পরিস্থিতিতে সাহায্য করতে পারে। এটি চালু থাকলে আগে আসা নোটিফিকেশনের ইতিহাস দেখা যায়।
যেমন Gmail-এর নোটিফিকেশন, কোনো অ্যাপের সতর্কবার্তা, মেসেজের নোটিফিকেশন কিংবা গুরুত্বপূর্ণ Reminder।
Notification History চালু করার নিয়ম
- ফোনের Settings খুলুন।
- Search-এ Notification History লিখুন।
- সংশ্লিষ্ট অপশনটি খুলুন।
- Notification History চালু করুন।
- পরবর্তী সময়ে একই জায়গা থেকে আগের নোটিফিকেশনগুলো দেখুন।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: Notification History চালু করার আগে আসা সব পুরোনো নোটিফিকেশন এতে পাওয়া যাবে না। সাধারণত ফিচারটি চালু করার পর থেকে আসা নোটিফিকেশন সংরক্ষিত হয়।
কিছু Android ফোনে এই সুবিধা নাও থাকতে পারে। আবার নির্মাতার নিজস্ব সফটওয়্যারের কারণে এর নাম বা ব্যবহার পদ্ধতিও পরিবর্তিত হতে পারে।
৪. One-Handed Mode: বড় স্ক্রিন এক হাতেই ব্যবহার করুন
বর্তমানে স্মার্টফোনের স্ক্রিন বেশ বড়। ফলে এক হাতে ফোন ব্যবহার করার সময় স্ক্রিনের ওপরের অংশে আঙুল পৌঁছানো কঠিন হয়ে যায়। বিশেষ করে অন্য হাতে ব্যাগ, বই কিংবা কোনো জিনিস ধরে থাকলে সমস্যা আরও বাড়ে।
এই সমস্যার সমাধানে Android-এর One-Handed Mode ব্যবহার করতে পারেন। এটি চালু করলে স্ক্রিনের ওপরের অংশকে সহজে নাগালের মধ্যে আনা যায়।
One-Handed Mode চালু করার নিয়ম
- Settings খুলুন।
- Search-এ One-Handed Mode লিখুন।
- অপশনটি পাওয়া গেলে চালু করুন।
- ফোনের নির্দেশনা অনুযায়ী Gesture বা Shortcut ব্যবহার করুন।
ফিচারটি চালু থাকলে এক হাতে ফোন ব্যবহার করা তুলনামূলক সহজ হবে। বড় স্ক্রিনের ফোন ব্যবহারকারী এবং যাদের আঙুল দিয়ে স্ক্রিনের ওপরের অংশে পৌঁছাতে সমস্যা হয়, তাদের জন্য এটি বিশেষভাবে কার্যকর।
কিছু Android 12 বা পরবর্তী সংস্করণের ফোনে এই সুবিধা পাওয়া যায়। তবে সব ডিভাইসে একইভাবে কাজ করে না।
৫. Quick Share: ইন্টারনেট ছাড়াই দ্রুত ফাইল পাঠান
এক ফোন থেকে অন্য ফোনে ছবি, ভিডিও কিংবা ডকুমেন্ট পাঠানোর জন্য অনেকেই WhatsApp, Messenger বা Bluetooth ব্যবহার করেন। কিন্তু কাছাকাছি থাকা সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিভাইসের মধ্যে সরাসরি ফাইল পাঠাতে Android-এর Quick Share বেশ সুবিধাজনক।
Quick Share আগে Nearby Share নামে পরিচিত ছিল। এটি Android ফোন, ট্যাবলেট, Chromebook এবং সমর্থিত Windows কম্পিউটারে ফাইল আদান-প্রদানের সুবিধা দেয়।
Quick Share দিয়ে ফাইল পাঠানোর নিয়ম
- ফোনের Gallery বা File Manager খুলুন।
- যে ছবি, ভিডিও বা ডকুমেন্ট পাঠাতে চান, সেটি নির্বাচন করুন।
- Share বাটনে চাপ দিন।
- Quick Share নির্বাচন করুন।
- কাছাকাছি থাকা ডিভাইসটি নির্বাচন করুন।
- অন্য ডিভাইসে Accept করলে ফাইল পাঠানো শুরু হবে।
Quick Share ব্যবহারের জন্য একই Wi-Fi নেটওয়ার্কে থাকা বাধ্যতামূলক নয়। অনেক ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সংযোগ ছাড়াই কাছাকাছি ডিভাইসে ফাইল পাঠানো যায়। তবে Bluetooth, Wi-Fi এবং ডিভাইসের সামঞ্জস্য প্রয়োজন হতে পারে।
Quick Share কেন ব্যবহার করবেন?
- বড় ছবি ও ভিডিও সরাসরি পাঠানো যায়।
- প্রতিবার Messenger বা WhatsApp-এ ফাইল আপলোড করতে হয় না।
- সামঞ্জস্যপূর্ণ ডিভাইসের মধ্যে দ্রুত ফাইল আদান-প্রদান করা যায়।
- ইন্টারনেট ছাড়াই অনেক ক্ষেত্রে ফাইল ট্রান্সফার করা সম্ভব।
৬. Find Hub: হারিয়ে যাওয়া Android ফোন খুঁজে বের করুন
ফোন কোথায় রেখেছেন মনে পড়ছে না? কিংবা ফোনটি হারিয়ে গেছে? এমন পরিস্থিতিতে Android-এর Find Hub ব্যবহার করে ডিভাইসটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করতে পারেন।
Find Hub আগে Find My Device নামে পরিচিত ছিল। এটি Google-এর ডিভাইস খোঁজার সুবিধা, যার মাধ্যমে সমর্থিত Android ফোনের অবস্থান দেখা, শব্দ বাজানো, ফোন লক করা কিংবা প্রয়োজনে ডেটা মুছে ফেলার মতো কাজ করা যায়।
ফোন হারানোর আগে যে সেটিংসগুলো যাচাই করবেন
- ফোনে Google Account লগইন করা আছে কি না।
- Find Hub বা Find My Device চালু আছে কি না।
- Location সেটিংস চালু আছে কি না।
- ফোনে Screen Lock ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।
হারানো ফোন খুঁজে বের করার নিয়ম
- অন্য ফোন বা কম্পিউটার থেকে Google Find Hub ওয়েবসাইটে যান।
- আপনার Google Account দিয়ে লগইন করুন।
- তালিকা থেকে হারানো ডিভাইসটি নির্বাচন করুন।
- উপলভ্য অপশন অনুযায়ী ফোনের অবস্থান দেখুন, শব্দ বাজান অথবা ফোনটি Lock করুন।
- প্রয়োজনে ডিভাইসের ডেটা Erase করার অপশন বিবেচনা করুন।
ফোন বন্ধ থাকলে, ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলে কিংবা প্রয়োজনীয় সেটিংস আগে থেকে চালু না থাকলে অবস্থান দেখানোর সুবিধা সীমিত হতে পারে। কিছু ডিভাইসে অফলাইন অবস্থান খোঁজার সুবিধাও পাওয়া যায়, তবে সেটি ফোনের সমর্থন ও সেটিংসের ওপর নির্ভর করে।
সতর্কতা: ফোনের ডেটা Erase করলে ব্যক্তিগত তথ্য স্থায়ীভাবে মুছে যেতে পারে। তাই ফোন ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা এবং তথ্যের নিরাপত্তা বিবেচনা করে এই সিদ্ধান্ত নিন।
৭. App Permission: কোন অ্যাপ কী তথ্য ব্যবহার করছে নিয়ন্ত্রণ করুন
আপনার ফোনের কিছু অ্যাপ Camera, Microphone, Location, Contacts কিংবা Photos ব্যবহারের অনুমতি চাইতে পারে। কিন্তু প্রতিটি অ্যাপকে সব ধরনের অনুমতি দেওয়া কি সত্যিই প্রয়োজন?
ধরুন, একটি সাধারণ Calculator অ্যাপ আপনার Contacts বা Location ব্যবহারের অনুমতি চাইছে। অ্যাপটির কাজের সঙ্গে এই অনুমতির প্রয়োজনীয়তা না থাকলে সেটি দেওয়ার আগে ভেবে দেখা উচিত।
Android-এ App Permission নিয়ন্ত্রণ করার সুবিধা রয়েছে। এর মাধ্যমে কোন অ্যাপ কী তথ্য ব্যবহার করতে পারবে, তা আপনি নির্ধারণ করতে পারেন।
App Permission পরীক্ষা করার নিয়ম
- Settings খুলুন।
- Apps অথবা Privacy অপশনে যান।
- Permission Manager নির্বাচন করুন।
- Camera, Microphone, Location, Contacts বা Photos-এর মতো অনুমতি নির্বাচন করুন।
- কোন অ্যাপ কী অনুমতি পেয়েছে, তা পরীক্ষা করুন।
- প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমতি পরিবর্তন করুন।
কিছু Android ভার্সনে কোনো অ্যাপকে শুধু ব্যবহারের সময় Camera বা Location ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া যায়। এতে অ্যাপটি বন্ধ থাকা অবস্থায় অপ্রয়োজনীয়ভাবে অনুমতি ব্যবহার করার সুযোগ কমে।
App Permission নিয়ন্ত্রণ কেন জরুরি?
- ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তা বাড়াতে সাহায্য করে।
- অপ্রয়োজনীয় Location Access বন্ধ রাখা যায়।
- সন্দেহজনক অ্যাপের অনুমতি পরীক্ষা করা যায়।
- নিজের ফোনের Privacy সম্পর্কে সচেতন থাকা যায়।
তবে সব অনুমতি বন্ধ করে দিলে কিছু অ্যাপের নির্দিষ্ট ফিচার কাজ নাও করতে পারে। তাই অ্যাপের প্রয়োজন অনুযায়ী অনুমতি দেওয়া সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি।
Bonus: Android-এর আরও ৪টি দরকারি ফিচার
উপরের সাতটি ফিচারের বাইরেও Android-এ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে। আপনার ফোন ও Android ভার্সন সমর্থন করলে এগুলোও ব্যবহার করে দেখতে পারেন।
Live Caption
Live Caption সমর্থিত ফোনে ভিডিও বা অডিওর কথাকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্ক্রিনে লেখার মাধ্যমে দেখাতে পারে। শব্দ ছাড়াই ভিডিওর বক্তব্য বুঝতে এটি কাজে আসে।
Emergency SOS
জরুরি পরিস্থিতিতে সমর্থিত ফোনের Emergency SOS ফিচার নির্দিষ্ট জরুরি সেবা বা যোগাযোগের ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করতে পারে। ফিচারটি আগে থেকে সেটআপ করে রাখা ভালো।
Private Space
সমর্থিত Android 15 বা পরবর্তী সংস্করণের ফোনে Private Space ব্যবহার করে ব্যক্তিগত অ্যাপ আলাদা একটি নিরাপদ জায়গায় রাখা যায়। এতে নির্দিষ্ট অ্যাপের জন্য বাড়তি গোপনীয়তা বজায় রাখা সম্ভব।
Google Play Protect
Google Play Protect অ্যাপের নিরাপত্তা পরীক্ষা করে এবং ক্ষতিকর অ্যাপ শনাক্ত করতে সাহায্য করে। Google Play Store থেকে ইনস্টল করা অ্যাপের পাশাপাশি কিছু ক্ষেত্রে অন্য উৎস থেকে ইনস্টল করা অ্যাপও পরীক্ষা করা হয়।
Android ফোনে ফিচারগুলো খুঁজে না পেলে কী করবেন?
Samsung, Xiaomi, Redmi, Realme, Vivo, Oppo কিংবা Google Pixel—প্রতিটি ব্র্যান্ডের Android ইন্টারফেসে কিছু পার্থক্য রয়েছে। তাই একটি ফোনে যে সেটিংস যে জায়গায় পাওয়া যায়, অন্য ফোনে সেটি একই জায়গায় নাও থাকতে পারে।
নির্দিষ্ট ফিচার খুঁজে না পেলে নিচের পদ্ধতিগুলো অনুসরণ করুন:
- ফোনের Settings খুলুন।
- উপরের Search Bar-এ ফিচারটির ইংরেজি নাম লিখুন।
- ফলাফলে সংশ্লিষ্ট অপশন থাকলে সেটি খুলুন।
- অপশনটি না পেলে ফোনের Android Version ও মডেল অনুযায়ী ফিচারটি সমর্থিত কি না যাচাই করুন।
Android-এর কিছু ফিচার নতুন সংস্করণে যোগ করা হয়, আবার কিছু সুবিধা নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডের ফোনে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে। তাই কোনো অপশন না পাওয়া মানেই ফোনে সমস্যা আছে, এমন নয়।
শেষ কথা
আমরা প্রতিদিন স্মার্টফোন ব্যবহার করি, কিন্তু এর অনেক সুবিধাই অজানা থেকে যায়। অথচ Split Screen দিয়ে একসঙ্গে দুটি অ্যাপ ব্যবহার করা, Notification History দিয়ে মুছে যাওয়া নোটিফিকেশন দেখা কিংবা Find Hub দিয়ে হারানো ফোন খুঁজে বের করার মতো সুবিধা দৈনন্দিন জীবনে বেশ কাজে আসতে পারে।
সব ফিচার একসঙ্গে চালু করার প্রয়োজন নেই। আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কয়েকটি ব্যবহার করে দেখুন। বিশেষ করে App Permission, App Pinning এবং Find Hub-এর মতো সুবিধা সম্পর্কে জানা থাকলে ফোন ব্যবহার আরও সুবিধাজনক ও নিরাপদ হতে পারে।
আপনার Android ফোনে কোন ফিচারটি সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে? সেটি ব্যবহার করার অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারেন।
