পিরামিড এক রহস্য
আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় হল পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম এক প্রাচীন আশ্চর্যচম্বিত স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শন স্বরূপ। যা নির্মাণ করা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৪,৫০০ বছর আগে। আর এত বছর ধরে সে , সময়ের নিরিখে ঘটে-চলা ঘটনার সাক্ষী বহন করে চলেছে আজও। কালের নিয়ম সময়ের মার তাকে গ্রাস করতে পারেনি। আমি যার কথা এখানে বলতে চাইছি তা হল প্রাচীন Egypt এর Great Pyramid কে নিয়ে। যে পিরামিডের নির্মাণ করা হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ৪,৫০০ বছর আগে। এই Pyramid এর নির্মাণ করা হয় গিজা শহরের পাশে। যা নীল নদীর পশ্চিম তটে অবস্থান করেছে। আসুন তাহলে যানা যাক Egypt এর Great Pyramid এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সম্পর্কে।
Pyramid কেন নির্মাণ করা হয়েছিল-
প্রাচীনকালে Egypt এর লোকেরা Pyramid এর ব্যাবহার করত তাদের রাজা/ফ্যারাও এর মরদেহ কে মমি তে পরিণত করে কবর দেওয়ার জন্য। আর রাজার সাথে তার অতি প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র অলংকার,মদিরা,খাট,বিছানা আসবাবপত্র ইত্যাদি তার সঙ্গে করে কবর দেওয়া হত।
Pyramid এর নির্মাণ কার্য এবং নির্মাণ নিয়ে বহু কাহিনী প্রচলিত আছে।
আগেকার দিনে প্রাচীন Egypt /মিশর দেশের মানুষের মধ্যে ধারনা ছিল যে। মানুষ
মারা গেলে তার আবার নতুন করে পুনঃ জনম হয়।
আর এই পুনঃ জনম হওয়ার জন্য প্রাচীন Egypt এর লোকরা মিশরিয় সংস্কৃতি ও
পরম্পরা অনুযায়ী বিশ্বাসমতে তাদের প্রিয় জনদের মৃত দেহকে মমি করার পর
কবরস্থ করত। মমি করা মৃত দেহের সাথে তারা তাদের প্রিয় জনের অতি প্রয়োজনীয়
জিনিষপত্রকে ও কবরস্থ করত। যাতে তার পুনঃ জন্ম হলে তার প্রয়োজনীয় জিনিস
পত্র ব্যাবহার করতে পারে।
আর এই প্রথানুযায়ী মৃত দেহকে মমি করার এই প্রক্রিয়া মিশরীয় সভ্যতায় যুগ যুগ ধরে চলে আসতে থাকে। কিন্তু বিশেষ করে রাজা মহারাজাদের মৃত দেহ কে কবর দেওয়ার জন্য মকবরা বানানো হত। যাকে আমরা Egypt এর ভাষা অনুযায়ী, দুনিয়া Pyramid বলে চেনে।
মরদেহ কে পচনের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য Egypt এর মানুষ মরদেহেকে মমিতে পরিণত করত। আর এই মমি করার প্রক্রিয়া দুটি পর্যায়ে সম্পূর্ণ হত। ১) আভ্যন্তরীণ, ২)বাহ্যিক।
আভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মৃত দেহ থেকে মানুষের নাড়ি ভুঁড়ি সহ আরও অন্যান্য অঙ্গ। যেমন-কিডনি, ব্রেন, লিভার, যকৃত ইত্যাদিকে বের করে নেওয়া হত। শুধু মাত্র হার্ট/ হৃৎপিণ্ড কে শরীরের ভিতরের অঙ্গ হিসাবে রাখা হত। বাকী সব শরীরের আভ্যন্তরীণ অঙ্গ বের করে নেওয়া হত। Egypt এর লোকের ধারনা ছিল যে। মানুষের হৃৎপিণ্ডে মানুষের আত্মা বাস করে তাই পুনঃ জন্মের জন্য হৃৎপিণ্ড কে অক্ষত রাখা হত। তার পর বিশেষ মৃতদেহ পচন রোধক মশলা মাখিয়ে শরীরে মমি করার কাজ শুরু করা হত।
এরপর হত বাহ্যিক শরীরের মমি করার কাজ। মৃতদেহের বাহ্যিক শরীরে মশলা
মাখানোর পর সাদা ব্যান্ডেজ জড়ানো হত। আর এই ব্যান্ডেজ হত লম্বায় প্রায় ১.৫
কি.মি.- কাছাকাছি। পুরো ব্যান্ডেজ করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে । মৃতদেহকে
এক প্রকার Linen নামের দড়ি দিয়ে পুরো মমিকে জড়িয়ে ফেলা হত।
এরপর ফ্যারাও এর মৃতদেহকে মকবরা/ Pyramid এর ভিতর রেখে দেওয়া হত ফারাও এর পুনঃ জন্মের জন্য।
Egypt এর Pyramid বিখ্যাত হওয়ার কিছু কারণ
পুরো বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন দেশে Pyramid এর সন্ধান পাওয়া গেছে। শুধুমাত্র Egypt এ ১৩৮ এর কাছাকাছি Pyramid পাওয়া গেছে। কিন্তু সেই সমস্ত Pyramid এতটা বিখ্যাত নয়। যতটা Egypt এর গিজা শহরের কাছে থাকা Pyramid বিখ্যাত। এই Pyramid বিখ্যাত হওয়ার পিছনে বিশেষ কারণ আছে।
Egypt এর গিজা শহরে থাকা তিনটি Pyramid হল বিশ্বের সবথেকে প্রাচীন এবং আকারে সবথেকে বড় Pyramid. যা পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের তালিকার মধ্যে যাকে সর্ব প্রথম হিসাবে রাখা হয়েছে।
গিজা-র Pyramid এর সবথেকে বড় পিরামিডের উচ্চতা প্রায় ৪৮১ ফুট। এই Pyramid ফ্যারাও খুফুর পিরামিড বলেই সবাই জানে। কারণ হিসাবে বলা হয়ে থাকে ফ্যারাও খুফু, তার মারা যাওয়ার পর। নিজের মৃতদেহ কে সমাধিস্থ করার জন্য এই পিরামিডের নির্মাণ করেন।
গিজা-র দ্বিতীয় পিরামিড টা নির্মাণ করা হয়েছিল খুফুর পুত্র ফ্যারাও খাফর এর জন্য। রাজা খাফর Pyramid এর কিছুটা দুরেই রয়েছে এক বিশালাকার পশুর ধর এবং মানব মুণ্ড যুক্ত বিশাল আকারের মূর্তি। এই মূর্তিকে আমরা Sphinx নামে চিনি।

Sphinx কে ফ্যারাও খাফর মূর্তির অংশ হিসাবে ধরা হয়ে থাকে। Sphinx কে এমনভাবে খাফর পিরামিডের সামনে বানানো হয়েছে। যে দেখে মনে হবে Sphinx রাজা খাফর পিরামিডের একজন অত্যন্ত সজাগ প্রহরী। যে সর্বদা ফ্যারাও খাফর পিরামিড কে পাহারা দিচ্ছে।
বিশেষজ্ঞদের ধারনা এই যে Sphinx এর মানুষের ন্যায় মাথা দ্বারা ফ্যারাও খাফর এর চেহারাকে দর্শানো হয়েছে। রাজা খাফর এর চেহারা অনুসারে Sphinx এর মাথা বানানো হয়েছিল।
গিজা-র তৃতীয় Pyramid টি আর দুটি পিরামিড থেকে আকারে ছোট। আর এই Pyramid কে মেনকায়ার এর পিরামিড বলা হয়ে থাকে। প্রত্নতত্ত্ববিদ দের ধরানা অনুসারে এই পিরামিড কে, খাফরের উত্তরাধিকারী মেনকায়ার এর বলে মনে করা হয়ে থাকে।
Egypt এর গিজা শহরে থাকা মহান Pyramid কে মানুষ দ্বারা নির্মিত, পৃথিবীর প্রথম আশ্চর্য-তম জিনিস হিসাবে ধরা হয়। আর পৃথিবীতে থাকা সপ্তম আশ্চর্যের তালিকায় থাকা সূচির মধ্যে অন্যতম এবং সবথেকে পুরনো বলে মনে করা হয়ে থাকে।
সময়ের সাথে সাথে সবকিছু বিলীন হয়ে গেলেও একমাত্র গিজা-র এই পিরামিড সমস্ত প্রাকৃতিক দুর্বিধা, ঝড় , বৃষ্টি,ভূকম্পের হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে সমানে আজও আমাদের সামনে তার প্রাচীনতার প্রমাণ দিয়ে যাচ্ছে। কালের নিয়মে সভ্যতা ধংস হয়ে গেলেও মিশরের এই পিরামিড তার নিজের জায়গায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে।
Egypt এর প্রাচীন Pyramid এর ইতিহাস আজও আধুনিক বিশ্বকে অবাক করে দেয়। আজ থেকে প্রায় ৪,৫০০ বছর আগে। যখন কোন আধুনিক Technologey ছিলনা। গিজার এই ৪৮১ মিটার উঁচু পিরামিড এর নির্মাণ করা হয়েছিল।
এত বেশি উচ্চতাতে ভারী,ভারী পাথর কে নিয়ে যাওয়া এবং তাকে একের পর এক শ্রেণী বদ্ধ-ভাবে সাজিয়ে এত বড় একটা ইমারত গড়ে তোলা। তাও আবার বিনা কোন টেকনোলোজি ছাড়া। এই সব মিরাক্কেল থেকে কম কিছু নয়। তখনকার দিনে কীভাবে ঈজিপশিয়ান লোকেরা এত বড় স্থাপত্য নির্মাণ করল,এই প্রশ্ন দুনিয়ার তাবড়,তাবড় বিজ্ঞানীদের মাথায় চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেয়।
তখনকার দিনে-তো মানুষ চাকার ব্যাবহার জানত না। ছিল না কোন ক্রেন, জেসিবি,লোডর এর মত আধুনিক উপকরণ। নাছিল কোন বিদ্যুতের ব্যবস্থা।
অথচ ৪৮১ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত বড় বড় চুনাপাথরের ব্লক গুলোকে কে বয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। যার এক একটা পাথরের ব্লকের ওজন ছিল এক একটা হাতির থেকে বেশি।যা সাধারণ মানুষের কাছে একলা বয়ে নিয়ে যাওয়া ছিল প্রায় অসম্ভব। চুনাপাথরের এক একটা ব্লকের ওজন ছিল ২,৭০০ কেজি থেকে ৭০,০০০ কেজি পর্যন্ত।
আপনার জানলে অবাক হবেন এখনকার আধুনিক ক্রেন যা দিয়ে বড় বড় অট্টালিকা বানানোর জন্য ভারী,ভারী জিনিসপত্র এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। নীচ থেকে উপরে পৌঁছান হয়। সেই আধুনিক ক্রেন ২০,০০০ কেজি পর্যন্ত ভার ওঠাতে সক্ষম।কিন্তু সেই সময়ে মানুষ কি করে এত বড় এবং ভারী পাথরের ব্লক গুলোকে উপরে নিয়ে গেল সেটা ভাবতেই অবাক লাগে।
শুধুমাত্র খুফুর পিরামিড বানানোর জন্য ২৩ লক্ষ চুনাপাথরের ব্লক ব্যাবহার করা হয়েছিল। আরও বেশি অবাক লাগে তখনকার দিনের মানুষ লোহার মত শক্ত ধাতুর সন্ধান পায়নি। তখন শুধু তামার ব্যাবহার ছিল। অথচ কীভাবে ঈজিপশিয়ান লোকেরা এই বড় বড় পাথর গুলোকে কেটে নিখুঁত ভাবে চৌকো সেফ দিল। এই প্রশ্ন বার বার আমাদিকে ভাবিয়ে তোলে। কারণ তামার মত নরম ধাতুর যন্ত্রপাতি ব্যাবহার করে পাথর কাটার মত কঠিন কাজ করা অসম্ভব।
আপনারা একটু সুস্থ মস্তিষ্কে ভেবে দেখুন। আজ থেকে প্রায় ৪,৫০০ বছর আগে বিনা কোন মেশিনারিতে, কীভাবে মানুষ এত-বড় একটা স্থাপত্যের রূপ দিল। তাহলে সত্যিই কি আমাদের পূর্ব পুরুষদের কাছে এমন কোন এডভান্স টেকনোলজি ছিল যা আধুনিক বিজ্ঞানের চিন্তাধারার বাইরে। না কোন পর গ্রহই প্রাণী দ্বারা গিজার এই পিরামিড এর নির্মাণ হয়েছিল।
Pyramid এর পিছনে লুকিয়ে থাকা রহস্যের মধ্যে একটা ঘটনার উল্লেখ পাওয়া যায়। যাকে Orion Correlation Theorey বলা হয়ে থাকে।
যদি কখনো আপনারা Egypt এ গিয়ে থাকেন। এবং রাত্রি বেলায় গিজার Pyramid কে
অধ্যয়ন করেন। তাহলে আপনারা একটা জিনিস দেখতে পাবেন। রাত্রি বেলা গিজার
পিরামিডের উপর একটি তারা মণ্ডল কে দেখতে পাওয়া যায়।
এই তারা মণ্ডলে তিনটি তারা রয়েছে। আর এই তারা গুলিকে Pyramid এর শিখরে ক্রমান্বয়ে একটা একটা করে প্রতিটি Pyramid এর মাথার উপরে দেখতে পাবেন।
এই তারা তিনটি যেন তিনটি Pyramid এর চূড়ায় মনির মত জ্বলছে। আরও আশ্চর্যের বিষয়, এই যে আপনি যেখান থেকে যে দৃষ্টি কোন থেকে Pyramid কে অধ্যয়ন করুন আপনি পিরামিডের মাথায় ঐ তিনটি তারাকে একই ভাবে সোজাসুজি দেখতে পাবেন।
এই তারা মণ্ডল কে Orion Belt তারা মণ্ডল বলা হয়ে থাকে। এই তারা গুলোর নাম হল-Anitak, Ainilam, Mirtka.
এই তিনটি তারা কে গিজার পিরামিডের উপর ৯০ ডিগ্রীতে সর্বদা অবস্থান করতে দেখা যায়। এই সব অবাক করা, অভাবনীয় রহস্য দেখে বিশেষজ্ঞ দের এক অংশ মনে করেন পর গ্রহই প্রাণী ওঠাত Elion রা, বহুকাল আগে পৃথিবীতে এসেছিল।
Elion রা, যখন পৃথিবীতে আসে সঙ্গে করে তারা তাদের advance technologey নিয়ে এসেছিল। আর Elion দের সাহায্য নিয়েই মিশরের এই মহান গিজার পিরামিডের নির্মাণ করা হয়েছিল। এবং Elion রা Orion Belt থেকেই পৃথিবীতে এসেছিল।
Pyramid এর নির্মাণ Elion না মানুষ দ্বারা করা হয়েছিল। তা সঠিক ভাবে কেউ বলতে পারেনা। তবে Pyramid এর সঙ্গে আকাশের ঐ তারা মণ্ডল Orion Belt এর সংযোগ এর কথাও একেবারে উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
কিছু বিশেষজ্ঞ দের ধারনা Elion রা এই তিনটি তারা থেকেই এসেছিল। আর Pyramid এর নির্মাণ করা হয়েছিল ঐ পরগ্রহি প্রানিদের সাথে সংযোগ রক্ষা করার জন্য। আর এই জন্য রাত্রি বেলা পিরামিড এবং ঐ তিন নক্ষত্র এর সরল রৈখিক নিখুঁত সোজা সোজি সংযোগ পিরামিডের সাথে ঘটে থাকে।
Pyramid এর প্রতিটি কোনেই আলাদা আলাদা ভাবে রহস্য লুকীয়ে আছে। কিন্তু Pyramid এর ভিতরে থাকা সুড়ঙ্গপথ, Pyramid এর সবথেকে বড় রহস্যের মধ্যে অন্যতম।
Pyramid এর মধ্যে বেশ কয়েকটি জায়গায় সুড়ঙ্গপথ রয়েছ। Pyramid এ, সুরঙ্গের উপস্থিতি কে লোকে ভাবত এই সুরঙ্গের নির্মাণ করা হয়েছে পিরামিডের ভিতরে বায়ু চলাচলের জন্য। কিন্তু এই ধারনা ভুল প্রমাণিত হয়েছে।
Pyramid এর মধ্যে এখন পর্যন্ত মোট তিন খানা প্রকোষ্ঠ এর খোঁজ পাওয়া গেছে। এই প্রকোষ্ঠ গুলি হল সবার নিচে ১)বেস চেম্বার, তারপর মাঝখানে ২)কুইন চেম্বার, এবং সবার উপরে ৩)কিং চেম্বার।
আর সবথেকে মজার ব্যাপার এই যে এই তিনটি প্রকোষ্ঠ একে অপরের সাথে সুরঙ্গ পথ দ্বারা সংযুক্ত রয়েছে। যেকোনো সুরঙ্গ পথ দীয়েই এক চেম্বার থেকে অন্য চেম্বারে যাওয়া সম্ভব।
আপনারা জানলে আরও অবাক হবেন যে এখন পর্যন্ত কোন প্রকোষ্ঠ থেকে কোন রাজা বা রানির মমি পাওয়া যায় নি। Pyramid এর ভিতর খালি পরে ছিল। কোন রকম মমি বা অন্য কিছু ছিলনা। বিশেষজ্ঞ দের মতে এখন ও অনেক চেম্বার Pyramid এর ভিতরে রয়েছে। যা আবিষ্কৃত হতে এখনও বাকী আছে।
Egypt এর মানুষের ধারনা ছিল যে রাজা/ ফ্যারাও এর মমিকে Pyramid এর চেম্বারে রাখা হলে ফ্যারাও এর আত্মা আকাশের ঐ তারার দিকে যাবে। Egypt এর লোকের এই ঘটনাকে Star Shaft Theory বলা হয়ে থাকে।
একবার বিশেষজ্ঞ দের একটি টিম। পিরামিডের ইতিহাস জানার জন্য একটি রোবট ক্যামেরা সুরঙ্গের ভিতরে কুইন চেম্বারে পাঠায়। রোবট ক্যামেরাটি যখন সুরঙ্গের শেষ প্রান্তে এসে পৌঁছায়। তখন ক্যামেরার মনিটরে দেখতে পাওয়া যায়। যে সুরঙ্গের রাস্তা সেখানে এসে থেমে যাচ্ছে। রাস্তাটি একটা পাথরের দরজা দ্বারা বন্ধ করা আছে।
তাহলে এই সুরঙ্গের নির্মাণ যদি শুধুমাত্র বায়ু চলা-চলের জন্যই করা হত। তাহলে সুরঙ্গ আগে গিয়ে বন্ধ করা হত না। এরমানে পরিষ্কার, যে তারা জেনে বুঝেই রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। যাতে এই সুড়ঙ্গপথ অতিক্রম করে আগে কেউ যেতে না পারে।
এরপরে আরও একবার কুইন চেম্বারের ভিতরে দরজার অপর প্রান্তে লুকীয়ে থাকা রহস্য জানার চেষ্টা করা হয়। এবারে Egypt সরকারের অনুমতি নিয়ে সেই পাথরের দরজার উপর ড্রিল মেশিন দিয়ে খুবই ছোট একটা ছিদ্র করা হয়। তারপর এই ছিদ্র দিয়ে একটা অতি সূক্ষ্ম মাইক্রো ক্যামেরা ড্রিলের ছিদ্র দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করানো হয়। কিন্তু ক্যামেরাটি দেওয়ালের ঐ প্রান্তে পৌছাতে না পৌছাতে খারাপ হয়ে যায়।
এরপর এই ঘটনার পর থেকে Egypt সরকার নতুন করে Pyramid কে নিয়ে এক্সপেরিমেন্টের উপর প্রতিবন্ধ লাগিয়ে দেয়। তবে এখানেই কুইন্স চেম্বারের পিছনে গুপ্ত প্রকোষ্ঠ থাকার ঘটনাকে উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
এসব ঘটনার পর থেকে এটা তো স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে Pyramid এর নির্মাণ শুধুমাত্র মমি রাখার জন্য করা হয়নি। Pyramid এর নির্মাণ এর পিছনে অন্য কোন রহস্য লুকিয়ে আছে।
আর এইসব কারণ গুলোকে পর্যবেক্ষণ করার পর। অধিকাংশ গবেষক মনে করেন যে পিরামিড নির্মাণের পিছনে পরগ্রহি প্রাণীর যোগাযোগ আছে। কিংবা Pyramid কে মমি রাখার জন্য নয়। Pyramid এর নির্মাণ করা হয়েছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন করার জন্য। আর এই Pyramid ছিল মিশরের মানুষের কাছে পাওয়ার প্লান্ট স্বরূপ।
পাঠকগণ আপনারা জানলে অবাক হয়ে যাবেন। বর্তমানে যেখানে গিজার পিরামিড রয়েছে। সেই জায়গা হল আমাদের পৃথিবীর মূল কেন্দ্র বিন্দু/সেন্টার পয়েন্ট। যদি পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত দুটি সরল রেখা দিয়ে ভাগ করা হয়। তাহলে দেখা যাবে উত্তর থেকে দক্ষিণ প্রান্ত এবং পূর্ব থেকে পশ্চিম প্রান্ত পর্যন্ত দুটি সরল রেখা টানলে। সরল রেখা দুটি একে অপরকে গিজার পিরামিডের উপর ক্রস করছে। যা পৃথিবীর সেন্টার পয়েন্ট কে চিহ্নিত করছে।

আরও অবাক করার মত বিষয় হল যে খুফুর পিরামিডের সেন্টার পয়েন্ট থেকে সরল রেখা টানলে তা সোজা নর্থ পোলে গিয়ে মেশে। ভেবে দেখুন আধুনিক জ্যামিতির জনক হিসাবে আমরা পিথাগোরাস কে চিনি। কিন্তু পিথাগোরাসের জন্ম হওয়ার কত বছর আগে এতটা সঠিক ভাবে Pyramid কে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুতে স্থাপন করা তাও আবার কোন রকম জ্যামিতিক জ্ঞান ছাড়া, যা এখনকার আধুনিক বিজ্ঞান কে সংশয়ে ফেলে দেয়।
কীভাবে এতটা সঠিক ভাবে সঠিক জায়গায় Pyramid কে স্থাপন করা সম্ভব হয়েছিল। আর তখন তো মানুষ পৃথিবীর আকৃতি চ্যাপ্টা বলেই জানত। পৃথিবী যে আকারে গোলাকার এই তত্ব তো তখন আবিষ্কার হয় নি। অথচ বিনা কোন জ্যামিতির জ্ঞান ছাড়াই পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুকে খুঁজে বের করেছিল। আর একসঙ্গে এত কিছু ঘটনাকে বিশ্লেষণ করার পর Pyramid এর নির্মাণ যে শুধু মানুষ দ্বারা করা হয়েছিল বলে মনে হয় না।
তাছাড়া তখন হেলিকপ্টার কিংবা এখনকার মত ড্রোন ক্যামেরাও ছিল না যে ড্রোন ক্যামেরা উড়িয়ে এতটা সঠিক এলাইমেন্ট খুঁজে বার করবে।
এত সঠিক এলাইমেন্ট শুধু পরগ্রহি প্রাণীরাই দিতে পারত। তারা তাদের স্পেস শিপ থেকে পৃথিবীর কেন্দ্র বিন্দুকে নির্বাচন করার ক্ষমতা রাখত।
সাধারণত Pyramid যে পাথর গুলো দ্বারা নির্মাণ করা হয়েছিল সেগুলোকে দেখে লাইম স্টোন বলে মনে হলেও সেগুলো কিন্তু লাইম স্টোন/চুনাপাথর নয়। এই পাথর গুলোকে কোথা থেকে নিয়ে আসা হয়েছিল তা নিয়েও নানা প্রশ্ন আছে।
এই পাথরগুলো ছিল ওজনে খুব ভারী এবং মজবুত। বিশেষজ্ঞরা এই পাথর গুলো নিয়ে বিভিন্ন ভাবে গবেষণা করেছে কিন্তু সঠিকভাবে তারা কোন সিদ্ধান্তে পৌছাতে পারেনি , যে পাথর গুলো আসলে কি ধরনের র-মেটি-রিয়াল দিয়ে তৈরি হয়েছে। তাছাড়া পৃথিবীর অন্যত্র কোথাও এমন ধরনের পাথর দেখতে পাওয়া যায় না।
Khufu র Pyramid বানানোর জন্য Ball & Socket technic ব্যাবহার করা হয়েছিল। আর এই টেকনোলোজির দ্বারা Pyramid কে ভূ-কম্প প্রতিরোধক বানানো হয়েছিল।
Ball & Socket technic কে মিশর-বাসি তাদের Pyramid বানানোর কাজে ব্যাবহার করে। এই টেকনিক দ্বারা একটি পাথরের সাথে অপরের পাথরের মাঝখানে গ্যাপ রেখে এমন ভাবে দুটি পাথরকে জোড়া হয়। যে পাথর প্রখর চাপে বা রৌদ্রে সামান্য বড় হয়ে গেলে পিরামিডের দেওয়াল ফেটে যাবে না।
পিরামিডে লাগানো একটা ব্লক থেকে আর একটি ব্লকের মাঝখানে সামান্য গ্যাপ রাখার কারণে দেওয়াল ফেটে যাওয়া কিংবা ভূ-কম্প হলে পরে যাওয়ার মত ভয় থাকেনা। এক কথায় বলতে গেলে ভূ-কম্প প্রতিরোধক নির্মাণ।
আজথেকে ৪,৫০০ বছর আগে ঈজিপশিয়ান লোকেরা Pyramid এর মধ্যে এক প্রাকৃতিক Air Condision বানিয়ে ফেলেছিল। Egypt এর তপ্ত গরম ৫০ ডিগ্রী বাইরের তাপমাত্রায় যেখানে মানুষ কালো ঝামা হয়ে যেত। কিন্তু Pyramid এর ভিতর এমন এক প্রাকৃতিক শীত ও তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা করা হয়েছিল যে গরমকালে যেখানে বাইরের তাপমাত্রা থাকত ৫০ ডিগ্রির কাছাকাছি। সেখানে Pyramid এর ভিতরের তাপমাত্রা থাকত ২০ ডিগ্রী সেলসিয়াস। যে তাপমাত্রা ছিল এই গরম আবহাওয়াই একদম আরামদায়ক।
Egypt এ যতগুলো Tourist place আছে। তার প্রতিটি জায়গায় মন্দির এবং স্থাপত্যের দেওয়ালের গায়ে স্পেস শিপ এবং বড়ো মাথা, ছোট চোখ এবং আকারে ছোট যা আধুনিক এলিয়েনের মত দেখতে। এরকম অনেক ছবি দেখতে পাওয়া যায়। আর এই সমস্ত জায়গায় এত বেশি এলিয়েন এর ছবি থাকার জন্য মনে করা হয় যে Egypt এর Pyramid আসলে এলিয়েন এই বানিয়েছিল।
প্রতি বছর জুন মাসের ২১ তারিখ কে পৃথিবীর সবথেকে বড় দিন এবং সবথেকে ছোট রাত হয়। ঐ দিন যদি আপনি Egypt এর গিজা-র Pyramid দেখতে গিয়ে যদি সূর্যাস্ত দেখেন। তাহলে এক অভূতপূর্ব তালমিল খুঁজে পাবেন।
ঐ দিন সন্ধেবেলা সূর্য যখন অস্ত যায় তখন দেখতে পাবেন গিজার মহান পিরামিডের সামনে থাকা Shinix এর মাথার উপর দিয়ে সূর্য অস্ত যাচ্ছে। এই সমস্ত ঘটনা গিজার পিরামিড কে অন্যান্য পিরামিড থেকে আলাদা করে দেয়।

Egypt এ Dandera নামের একটা জায়গা আছে। সেখানে একটা বহু প্রাচীন মন্দির আছে। আর এই মন্দিরের নাম হল Dandera Light Complex.তখনকার দিনে Egypt এর লোকেরা তাদের ভগবান Hator এর জন্য বানিয়েছিল। এই মন্দির Egypt এর রহস্যময় অনেক জায়গার মধ্যে একটি অন্যতম জায়গা।
এই মন্দিরের অর্ধেকের বেশি অংস বালিতে ঢাকা ছিল। কিন্তু ১৮০০ সালে Egypt সরকার এই বালি হটিয়ে দেয়। মন্দির চত্বর থেকে বালির চাদর হটে যাওয়ার ফলে অনেক দেবে থাকা নতুন রাজ সামনে আসে।
মন্দিরের বালি হটানো হলে প্রত্নতাত্ত্বিক গন মন্দিরের গায়ে খোদাই করা এমন একটা চিত্র দেখতে পায়। যা দেখে তাদের আক্কেল গুড়ুম হয়ে যায়।
তারা দেখে মন্দিরের গায়ে একটা আধুনিক বৈদ্যুতিক বাল্বের ছবি খোদাই করা রয়েছে। ছবিটিতে দেখা যায় একটি বৈদ্যুতিক বাল্বের সাথে তার জুড়ে ব্লাব টিকে কানেক্ট করা হয়েছে। এবং একটা লোক একটা জিনিস দ্বারা বোঝাতে চাইছে যে সাবধানে এই জিনিস কে ব্যাবহার না করলে বিপদ হতে পারে।
এর থেকে বোঝা যায় প্রাচীন Egypt এর মানুষ কারেন্টের ব্যাবহার জানত। আর এও মনে করা হয় যে Egypt এর লোকেরা রাত্রিবেলা বৈদ্যুতিক বাল্বের ব্যাবহার পিরামিড বানানোর জন্য করেছিল।
খাফর পিরামিডের রক্ষক হিসাবে ধরা হয় Shinix কে। আর আপনাদের জানিয়ে রাখি মানুষের মাথা এবং পশুর ধর বিশিষ্ট ৭৩.৫ মিটার লম্বা এবং ২০ মিটার চওড়া এই মূর্তিটাকে শুধুমাত্র এক খানা লাইম স্টোনে বানানো হয়েছিল। আর আজও Shinix পৃথিবীর সবথেকে বড় শুধু একটা পাথরে বানানো মূর্তির তালিকায় নাম দরাজ করা আছে।
আর এই Shinix মূর্তি টিকে সাফ সাফাই করার সময় প্রত্নতত্ত্ববিদরা অজান্তেই Shinix এর নিচে তিনটি চেম্বার খুঁজে পায়। এই চেম্বার গুলোকে দেখে মনে করা হয় যে। কিনা জানি এর ভিতরে আবার কি রহস্য লুকিয়ে আছে।
গিজার সবথেকে বড় পিরামিড টা যখন নির্মাণ করা হয়। তখন এই পিরামিডের উচ্চতা ছিল ৪৮১ ফুট। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে আজ ৪০০০ বছর পরে ঝড়ে, বৃষ্টিতে পিরামিড টা ক্ষয়ে তার ২৬ ফুট উচ্চতা হারিয়ে ফেলেছে। এখন বর্তমান খুফুর পিরামিড এর উচ্চতা ৪৫৫ ফুট।
গিজার এই পিরামিড আজথেকে ৩৮০০ সাল পর্যন্ত শুধু মাত্র মানুষ দ্বারা বানানো সবথেকে বড় ইমারত ছিল। কিন্তু ১৩১১ সালে ইংল্যান্ডে লিঙ্কন গির্জা ঘর তৈরি করা হয় যার উচ্চতা ছিল ৪৮২ ফুট। যার ফলে Pyramid এর মানুষ দ্বারা বানানো একমাত্র স্থাপত্যশিল্পের নিদর্শনে থাকা রেকর্ড ভেঙে যায়।
১২০০ শতাব্দীর শেষে Egypt এর এক সুলতান Al Aziz, পিরামিড কে ধংস করারা চেষ্টা করেন। তিনি তার ১০০০ লোককে পিরামিড ভাঙার জন্য লাগান। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারা হার মেনে নেয়। পুরো ০৮ মাস চেষ্টা করারা পর সুলতানের সিপাই সামন্তরা সারা দিনে এক থেকে দুটি পাথরই পিরামিডের গা থেকে খসাতে পারত। আর এর ফলে পিরামিডের গায়ে একটা গহ্বরের সৃষ্টি হয়।
গিজার এই পিরামিডের ওজন ৫৭ লক্ষ ৫০ হাজার টনের কাছাকাছি। কিন্তু আধুনিক প্রযুক্তি দ্বারা নির্মিত দুবাই এর বুর্জ-খলিফার ওজন শুধুমাত্র ০৫ লক্ষ টনের কাছাকাছি।
Pyramid এর নির্মাণ করা হয়েছিল ক্রীতদাস এবং কারাবন্দী মজুর দের পরিশ্রমের বিনিময়ে। কিন্তু আধুনিক ঐতিহাসিক দের ধারনা পিরামিড নির্মাণ করার জন্য রাজা শ্রমিক দিকে পারিশ্রমিক দিত।
পিরামিড বানানোর জন্য প্রায় ২০,০০০ সুদক্ষ শ্রমিক এবং ডিজাইনার, রাজমিস্ত্রি এবং ইঞ্জিনিয়ার ছিল বলে মনে করা হয়ে থাকে। আর এই পিরামিড নির্মাণ সম্পন্ন করতে প্রায় ২০ বছর সময় লেগেছিল বলে মনে করা হয়।
মিশরের এই পিরামিড নীল নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। মিশরের এই পিরামিড কে বানানোর জন্য ৫০লাখ টন লাইম স্টোন এবং ৪০০ টন গ্রানাইট এছাড়াও ৫০,০০০ হাজার মোটার পাথর এর ব্যাবহার করা হয়। এছাড়া পিরামিডের মজবুতির জন্য সুপার এডিসিয়ম মনিটরের ব্যাবহার করা হয়েছিল। যাতে পাথর গুলি একে অপরের সাথে ভাল ভাবে লেগে থাকে। ভূ-কম্পের মত প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নষ্ট না হয়ে যায়।
২০১৩ সালে ইজিপ্ট পুরতত্ববিদ Wad-Al-Jazf এর গুহায় একটি প্যাপিরাস এর উপর একটা লেখ খুঁজে পায়। আর এই প্যাপিরাস এর লেখ কে খুফুর পিরামিড এর যুগের প্যাপিরাস বলে মনে করা হচ্ছে।এই প্যাপিরাসের তথ্য অনুযায়ী পিরামিড বানানোর জন্য পাথরের যোগান তোরা নামক এক খাদান থেকে দেওয়া হয়েছিল বলে মনে করা হচ্ছে। বর্তমানে এই প্যাপিরাস টি Egypt এর রাজধানী কাইরো-র মিউজিয়ামে রাখা আছে।
পাঠকগণ Egypt এর Pyramid কে ঘিরে থাকা রহস্যের সমাধান করা এখন পর্যন্ত সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ধীরে ধীরে প্রযুক্তির উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু Egypt সরকার চায়না পিরামিডের মধ্যে থাকা রহস্য দুনিয়ার সামনে আসুক। কারণ একটাই যে শুধুমাত্র পিরামিড কে বাহ্যিক দিক থেকে পরীক্ষা করে পিরামিডের ভিতরের মধ্য থাকা রাজ জানা সম্ভব নয়। আর Egypt সরকার কখনোই চাইবেনা, গবেষণা করার জন্য পিরামিড কে ধংশ করতে। কারণ পিরামিড কে না ভেঙে বা কোনও রকম খনন কার্য না করে পিরামিডের ভিতরের রাজ জানা প্রায় অসম্ভব। অন্যদিকে পিরামিডের পৃথিবীর মাঝখানে সেন্টারে নির্মাণ। বিনা কম্পাসের সাহায্য ছাড়াই নর্থ এবং সাউথ পোলের মাঝখানে পিরামিড বানানো। পিরামিডের ভিতরে প্রাকৃতিক ভাবে শীত ও তাপকে নিয়ন্ত্রণ করা কোন না কোন অংশে পিরামিড বানানোর পিছনে এলিয়েনের দিকে সংযোগ কে জুড়ে দেয়। যাই হোক খুফুর পিরামিড নিয়ে আপনাদের কি মতামত তা কমেন্টে লিখে জানাবেন। ধন্যবাদ।
